ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

বিএনপি এতো খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেনো: জামায়াতকে তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন একটি রাজনৈতিক দল, যারা এখন পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাদের দাবি, বিএনপি নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিলো। আমার প্রশ্ন হলো, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ওই দলটিরও তো দুইজন সদস্য মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপি যদি এতোই খারাপ হতো, তবে তারা কেনো তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?

মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

বক্তব্যের মাঝপথে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে উপস্থিত জনতাকে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। এরপর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করে আসেনি কারণ তারা জানতো দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছিলেন। তৎকালীন সরকারের সেই দুই মন্ত্রী জানতেন, বেগম জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। আন্তর্জাতিক সব পরিসংখ্যান বলে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া যখন দায়িত্ব নেন, তখন থেকে দেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করছে, সরকারের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তাদের দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা প্রমাণ করে তারা নিজেরাই এখন মিথ্যা কথা বলছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে সবাইকে নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। ভোট দিয়ে শুধু চলে আসলেই হবে না। ভোটের ফলাফল কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে, যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর আপনাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে খাল খনন কর্মসূচিতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, সেদিন আমিও থাকবো।

এর আগে স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ এবং ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানো হয়। তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার পর তার কাছে ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান স্থানীয় নেতারা।

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

বিএনপি এতো খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেনো: জামায়াতকে তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন একটি রাজনৈতিক দল, যারা এখন পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাদের দাবি, বিএনপি নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিলো। আমার প্রশ্ন হলো, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ওই দলটিরও তো দুইজন সদস্য মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপি যদি এতোই খারাপ হতো, তবে তারা কেনো তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?

মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

বক্তব্যের মাঝপথে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে উপস্থিত জনতাকে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। এরপর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করে আসেনি কারণ তারা জানতো দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছিলেন। তৎকালীন সরকারের সেই দুই মন্ত্রী জানতেন, বেগম জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। আন্তর্জাতিক সব পরিসংখ্যান বলে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া যখন দায়িত্ব নেন, তখন থেকে দেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করছে, সরকারের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তাদের দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা প্রমাণ করে তারা নিজেরাই এখন মিথ্যা কথা বলছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে সবাইকে নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। ভোট দিয়ে শুধু চলে আসলেই হবে না। ভোটের ফলাফল কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে, যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর আপনাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে খাল খনন কর্মসূচিতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, সেদিন আমিও থাকবো।

এর আগে স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ এবং ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানো হয়। তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার পর তার কাছে ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান স্থানীয় নেতারা।