ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

বিএনপির হাতে চাকরি হারানোর প্রতিশোধ নিবেন নুরুল হুদা ?


ডেস্ক নিউজ:১৯৯৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারকে উৎখাতের লক্ষে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় গঠিত কথিত জনতার মঞ্চের দ্বিতীয় নায়ক নুরুল হুদাকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে অংশ নেয়ায় ২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি সরকার তাকে চাকরিচ্যুত করে। ফেসবুকে বিএনপি সমর্থকরা আশংকা প্রকাশ করে লিখেছেন চাকরি হারানোর প্রতিশোধ নিবেন ; নাকি গণতন্ত্র পুণ:প্রতিষ্ঠায় একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ নিবার্চন দেয়ার ব্যবস্থা করবেন? যেখানে তিনি নিজে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এতা প্রমাণিত বিষয় তিনি নিরপেক্ষ কিভাবে হলেন?

গতকাল সোমবার রাতে সেই নুরুল হুদার নাম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ঘোষণার পরই রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে সমালোচনার ঝড় উঠে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হল নির্বাচন কমিশন। এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নুরুল হুদার মতো এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে বসানোর কারণে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে জনমে নানা সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপি তাকে চাকরিচ্যুত করায় নুরুল হুদা এখন ওই ঘটনার মধুর প্রতিশোধ নিতে পারেন বলেও মনে করছেন সচেতন মানুষ।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তখন বিএনপি সরকারের উৎখাতের জন্য আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় মহিউদ্দিন খান আলমগীরের নেতৃত্বে কিছু আমলা রাজপথে কথিত জনতার মঞ্চ তৈরি করেছিল। সেই মঞ্চের দ্বিতীয় নায়ক ছিলেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।

পরে ২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি ক্ষমতায় এসে তাকে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। সর্বোচ্চ আদালত অবশ্য বিএনপি সরকারের ওই আদেশ বেআইনি ঘোষণা করেন। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন এবং সকল ধরনের আর্থিক সুযোগ সুবিধা লাভ করেন। আওয়ামী লীগ তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিলেও কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।

বিএনপি সরকারকে উৎখাতে আন্দোলন করার করায় আওয়ামী সরকার তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে পদোন্নতি দিয়ে সব সুবিধা ভোগ করার সুযোগ করে দিয়েছিল।
আর সেই পুরুষ্কার হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকার এখন তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব দিয়েছে বলে সচেতন মানুষ মনে করছেন।

সাবেক সচিব কে এম নূরুল হুদা পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ এর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের প্রধান ছিল।
তার ছোট ভাই নাসির উদ্দিন সবুজ নওমালা ইউনিয়ন(বাউফল থানা) আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক।
জেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক বাউফল পৌর মেয়র জুয়েল, বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মজিবুর রহমান, দাসপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহঙ্গীর হোসেন সহ অন্যান্য আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে আওয়ামী মিলন মেলায় নতুন নিয়োগ পাওয়া সিইসি কে এম নূরুল হুদা ।
সে বিএনপি’র সময় ওএসডি হিসাবে অবসারে যান এবং আওয়ামীলীগ এসে চাকরীতে পুর্নঃবহাল করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

বিএনপির হাতে চাকরি হারানোর প্রতিশোধ নিবেন নুরুল হুদা ?

আপডেট সময় : ০৭:০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


ডেস্ক নিউজ:১৯৯৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারকে উৎখাতের লক্ষে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় গঠিত কথিত জনতার মঞ্চের দ্বিতীয় নায়ক নুরুল হুদাকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে অংশ নেয়ায় ২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি সরকার তাকে চাকরিচ্যুত করে। ফেসবুকে বিএনপি সমর্থকরা আশংকা প্রকাশ করে লিখেছেন চাকরি হারানোর প্রতিশোধ নিবেন ; নাকি গণতন্ত্র পুণ:প্রতিষ্ঠায় একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ নিবার্চন দেয়ার ব্যবস্থা করবেন? যেখানে তিনি নিজে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এতা প্রমাণিত বিষয় তিনি নিরপেক্ষ কিভাবে হলেন?

গতকাল সোমবার রাতে সেই নুরুল হুদার নাম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ঘোষণার পরই রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে সমালোচনার ঝড় উঠে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হল নির্বাচন কমিশন। এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নুরুল হুদার মতো এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে বসানোর কারণে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে জনমে নানা সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপি তাকে চাকরিচ্যুত করায় নুরুল হুদা এখন ওই ঘটনার মধুর প্রতিশোধ নিতে পারেন বলেও মনে করছেন সচেতন মানুষ।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তখন বিএনপি সরকারের উৎখাতের জন্য আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় মহিউদ্দিন খান আলমগীরের নেতৃত্বে কিছু আমলা রাজপথে কথিত জনতার মঞ্চ তৈরি করেছিল। সেই মঞ্চের দ্বিতীয় নায়ক ছিলেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।

পরে ২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি ক্ষমতায় এসে তাকে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। সর্বোচ্চ আদালত অবশ্য বিএনপি সরকারের ওই আদেশ বেআইনি ঘোষণা করেন। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন এবং সকল ধরনের আর্থিক সুযোগ সুবিধা লাভ করেন। আওয়ামী লীগ তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিলেও কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।

বিএনপি সরকারকে উৎখাতে আন্দোলন করার করায় আওয়ামী সরকার তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে পদোন্নতি দিয়ে সব সুবিধা ভোগ করার সুযোগ করে দিয়েছিল।
আর সেই পুরুষ্কার হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকার এখন তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব দিয়েছে বলে সচেতন মানুষ মনে করছেন।

সাবেক সচিব কে এম নূরুল হুদা পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ এর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের প্রধান ছিল।
তার ছোট ভাই নাসির উদ্দিন সবুজ নওমালা ইউনিয়ন(বাউফল থানা) আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক।
জেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক বাউফল পৌর মেয়র জুয়েল, বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মজিবুর রহমান, দাসপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহঙ্গীর হোসেন সহ অন্যান্য আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে আওয়ামী মিলন মেলায় নতুন নিয়োগ পাওয়া সিইসি কে এম নূরুল হুদা ।
সে বিএনপি’র সময় ওএসডি হিসাবে অবসারে যান এবং আওয়ামীলীগ এসে চাকরীতে পুর্নঃবহাল করে।