সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে তৈরি নিজেদের প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালের প্রথম ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে চীনের স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপ-ভূখণ্ড তাইওয়ান। বৃহস্পতিবার সাগরে বেশ কিছু সময় ধরে চলানো হয়েছে নারওয়ালকে।
তাইওয়ানের নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বীপ-ভূখণ্ডের দক্ষিণাংশে কাউসিউং সমুদ্র বন্দরের কাছে এই ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়েছিলো। সফলভাবে সেই ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে।
সাবমেরিন কর্মসূচিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন সহ বেশ কয়েকটি দেশের দক্ষতা এবং প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে, যা কূটনৈতিকভাবে আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন তাইওয়ানের জন্য একটি বড় অগ্রগতি।
নারওয়াল তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তৃতীয় সাবমেরিন। বাকি যে দুটি সাবমেরিন আছে, সেগুলো গত শতকের আশির দশকে নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে কিনেছিল তাইওয়ানের সরকার। সেগুলো এখনো চলছে।
২০২২ সালে প্রথম নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে সাবমেরিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তাইওয়ানের সরকার। তারপর সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিএসবিসি কর্প নামে একটি তাইওয়ানিজ কোম্পানিকে। মোট ৮টি সাবমেরিন তৈরির জন্য সিএসবিসি কর্পের সঙ্গে চুক্তি করে তাইওয়ানের সরকার।
চুক্তিতে উল্লিখিত আটটি সাবমেরিনের প্রথমটি হলো নারওয়াল। সিএসবিসি কর্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৭ সাল শেষ হওয়ার আগে আরও দুটি সাবমেরিন তৈরি করে নৌবাহিনীকে হস্তান্তরের পরিকল্পনা আছে তাদের।
তবে ঠিক সময়ের মধ্যে সাবমেরিন প্রস্তুত করে হস্তান্তর করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সিএসবিসি কর্পসের কর্মকর্তারা। কারণ সরকারি চুক্তি অনুসারে ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালকে হস্তান্তরের কথা ছিলো।
অনলাইন ডেস্ক 





