ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

নিজেদের তৈরি সাবমেরিনের প্রথম ট্রায়াল সম্পন্ন তাইওয়ানের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • 38

সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে তৈরি নিজেদের প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালের প্রথম ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে চীনের স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপ-ভূখণ্ড তাইওয়ান। বৃহস্পতিবার সাগরে বেশ কিছু সময় ধরে চলানো হয়েছে নারওয়ালকে।

তাইওয়ানের নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বীপ-ভূখণ্ডের দক্ষিণাংশে কাউসিউং সমুদ্র বন্দরের কাছে এই ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়েছিলো। সফলভাবে সেই ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে।

সাবমেরিন কর্মসূচিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন সহ বেশ কয়েকটি দেশের দক্ষতা এবং প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে, যা কূটনৈতিকভাবে আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন তাইওয়ানের জন্য একটি বড় অগ্রগতি।

নারওয়াল তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তৃতীয় সাবমেরিন। বাকি যে দুটি সাবমেরিন আছে, সেগুলো গত শতকের আশির দশকে নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে কিনেছিল তাইওয়ানের সরকার। সেগুলো এখনো চলছে।

২০২২ সালে প্রথম নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে সাবমেরিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তাইওয়ানের সরকার। তারপর সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিএসবিসি কর্প নামে একটি তাইওয়ানিজ কোম্পানিকে। মোট ৮টি সাবমেরিন তৈরির জন্য সিএসবিসি কর্পের সঙ্গে চুক্তি করে তাইওয়ানের সরকার।

চুক্তিতে উল্লিখিত আটটি সাবমেরিনের প্রথমটি হলো নারওয়াল। সিএসবিসি কর্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৭ সাল শেষ হওয়ার আগে আরও দুটি সাবমেরিন তৈরি করে নৌবাহিনীকে হস্তান্তরের পরিকল্পনা আছে তাদের।

তবে ঠিক সময়ের মধ্যে সাবমেরিন প্রস্তুত করে হস্তান্তর করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সিএসবিসি কর্পসের কর্মকর্তারা। কারণ সরকারি চুক্তি অনুসারে ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালকে হস্তান্তরের কথা ছিলো।

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

নিজেদের তৈরি সাবমেরিনের প্রথম ট্রায়াল সম্পন্ন তাইওয়ানের

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে তৈরি নিজেদের প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালের প্রথম ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে চীনের স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপ-ভূখণ্ড তাইওয়ান। বৃহস্পতিবার সাগরে বেশ কিছু সময় ধরে চলানো হয়েছে নারওয়ালকে।

তাইওয়ানের নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বীপ-ভূখণ্ডের দক্ষিণাংশে কাউসিউং সমুদ্র বন্দরের কাছে এই ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়েছিলো। সফলভাবে সেই ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে।

সাবমেরিন কর্মসূচিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন সহ বেশ কয়েকটি দেশের দক্ষতা এবং প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে, যা কূটনৈতিকভাবে আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন তাইওয়ানের জন্য একটি বড় অগ্রগতি।

নারওয়াল তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তৃতীয় সাবমেরিন। বাকি যে দুটি সাবমেরিন আছে, সেগুলো গত শতকের আশির দশকে নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে কিনেছিল তাইওয়ানের সরকার। সেগুলো এখনো চলছে।

২০২২ সালে প্রথম নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে সাবমেরিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তাইওয়ানের সরকার। তারপর সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিএসবিসি কর্প নামে একটি তাইওয়ানিজ কোম্পানিকে। মোট ৮টি সাবমেরিন তৈরির জন্য সিএসবিসি কর্পের সঙ্গে চুক্তি করে তাইওয়ানের সরকার।

চুক্তিতে উল্লিখিত আটটি সাবমেরিনের প্রথমটি হলো নারওয়াল। সিএসবিসি কর্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৭ সাল শেষ হওয়ার আগে আরও দুটি সাবমেরিন তৈরি করে নৌবাহিনীকে হস্তান্তরের পরিকল্পনা আছে তাদের।

তবে ঠিক সময়ের মধ্যে সাবমেরিন প্রস্তুত করে হস্তান্তর করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সিএসবিসি কর্পসের কর্মকর্তারা। কারণ সরকারি চুক্তি অনুসারে ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে প্রথম সাবমেরিন নারওয়ালকে হস্তান্তরের কথা ছিলো।