ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

টিউলিপের ক্ষমা চাওয়া উচিত: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাস্টেটমেন্ট প্রতিবেদক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার নেয়া এবং সেটির তথ্য গোপন করার অভিযোগে ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন। দেশটির বিরোধী দল তার মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ দাবি করেছে। এরই মধ্যে, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত টিউলিপ সিদ্দিক নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমসকে তিনি বলেছেন, লন্ডনের যে ফ্ল্যাটটি টিউলিপ সিদ্দিক ব্যবহার করছেন, সেটির যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত। যদি তদন্তে জানা যায় যে তিনি এটি অবৈধ বা ‘ডাকাতির’ মাধ্যমে পেয়েছেন, তবে ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ফেরত দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

অপরদিকে টিউলিপ সিদ্দিককে বরখাস্ত করতে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান কেমি ব্যাডেনোচ। তিনি বলেছেন, কেয়ার স্টারমার! টিউলিপ সিদ্দিককে বরখাস্ত করার সময় এসেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার তার ব্যক্তিগত বন্ধুকে দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছেন এবং তিনি নিজেকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।

টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার মন্ত্রিসভার সদস্য, তিনি ইকনোমিক সেক্রেটারি টু দি ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কাজ যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারের ভেতরের দুর্নীতি সামাল দেওয়া। কিন্তু তার জন্মভূমি বাংলাদেশেই এখন তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, যেখানে তিনি এবং পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিক অবশ্য কোনো ধরনের দুর্নীতিতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর মিনিস্ট্রিয়াল স্ট্যান্ডার্ডসের ইন্ডিপেনডেন্ট অ্যাডভাইজার লাউরি ম্যাগনাসের কাছে নিজের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

টিউলিপের ক্ষমা চাওয়া উচিত: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাস্টেটমেন্ট প্রতিবেদক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার নেয়া এবং সেটির তথ্য গোপন করার অভিযোগে ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন। দেশটির বিরোধী দল তার মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ দাবি করেছে। এরই মধ্যে, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত টিউলিপ সিদ্দিক নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমসকে তিনি বলেছেন, লন্ডনের যে ফ্ল্যাটটি টিউলিপ সিদ্দিক ব্যবহার করছেন, সেটির যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত। যদি তদন্তে জানা যায় যে তিনি এটি অবৈধ বা ‘ডাকাতির’ মাধ্যমে পেয়েছেন, তবে ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ফেরত দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

অপরদিকে টিউলিপ সিদ্দিককে বরখাস্ত করতে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান কেমি ব্যাডেনোচ। তিনি বলেছেন, কেয়ার স্টারমার! টিউলিপ সিদ্দিককে বরখাস্ত করার সময় এসেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার তার ব্যক্তিগত বন্ধুকে দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছেন এবং তিনি নিজেকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।

টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার মন্ত্রিসভার সদস্য, তিনি ইকনোমিক সেক্রেটারি টু দি ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কাজ যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারের ভেতরের দুর্নীতি সামাল দেওয়া। কিন্তু তার জন্মভূমি বাংলাদেশেই এখন তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, যেখানে তিনি এবং পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিক অবশ্য কোনো ধরনের দুর্নীতিতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর মিনিস্ট্রিয়াল স্ট্যান্ডার্ডসের ইন্ডিপেনডেন্ট অ্যাডভাইজার লাউরি ম্যাগনাসের কাছে নিজের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।