ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

জননেতা তরিকুল ইসলামের ইন্তেকালে এনডিপির শোক।

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন
২০ দলীয় জোটের এনডিপির চেয়ারম্যান আব্দুল মোকাদ্দেম ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রাকেশ রহমান এনডিপির সকল সদস্যের পক্ষ থেকে এই জাতীয় নেতার ইন্তেকালে শোক বার্তা জানাচ্ছি।
জননেতা তরিকুল ইসলামের ইন্তেকালে আমরা শোকাহত এবং উনার মাগফেরাত কামনা করচ্ছি।
সাবেক বামপন্থী এই নেতা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।
রবিবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলে ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। স্ত্রী নারর্গিস ইসলাম তার অন্যতম রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তরিকুল ইসলামের ছেলে।

সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিনডীসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। যশোর থেকে চার বার নির্বাচনে জিতে সংসদে যাওয়া তরিকুল ইসলাম চারদলীয় জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৬ সালের ১৬ নভেম্বর যশোরে জন্মগ্রহণ করেন মরহুম তরিকুল ইসলাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী এই জননেতা ছাত্র জীবন থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজবন্দী হিসেবে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগ করেন। স্বাধীনতার পরও বাম রাজনীতির সঙ্গেই ছিলেন। ১৯৭০ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। তবে জিয়াউর রহমানের ডাকে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। তরিকুল ইসলাম ১৯৯১ সালে সাংসদ নির্বাচিত হন। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তিনি সমাজকল্যাণ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জোট সরকারের সময় প্রথমে তথ্য এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

তরিকুল ইসলাম বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হন ২০০৯ সালে দলটির কাউন্সিলের পর। তিনি যশোর থেকে প্রকাশিত লোকসমাজ সংবাদপত্রের প্রকাশকও ছিলেন।

অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে লাশ আজ রাতে তরিকুল ইসলামের শান্তিনগরের বাসায় নেওয়া হবে। কাল দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং যশোরে জানাজা হবে। এরপর লাশ যশোরে দাফন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

জননেতা তরিকুল ইসলামের ইন্তেকালে এনডিপির শোক।

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন
২০ দলীয় জোটের এনডিপির চেয়ারম্যান আব্দুল মোকাদ্দেম ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রাকেশ রহমান এনডিপির সকল সদস্যের পক্ষ থেকে এই জাতীয় নেতার ইন্তেকালে শোক বার্তা জানাচ্ছি।
জননেতা তরিকুল ইসলামের ইন্তেকালে আমরা শোকাহত এবং উনার মাগফেরাত কামনা করচ্ছি।
সাবেক বামপন্থী এই নেতা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।
রবিবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলে ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। স্ত্রী নারর্গিস ইসলাম তার অন্যতম রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তরিকুল ইসলামের ছেলে।

সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিনডীসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। যশোর থেকে চার বার নির্বাচনে জিতে সংসদে যাওয়া তরিকুল ইসলাম চারদলীয় জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৬ সালের ১৬ নভেম্বর যশোরে জন্মগ্রহণ করেন মরহুম তরিকুল ইসলাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী এই জননেতা ছাত্র জীবন থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজবন্দী হিসেবে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগ করেন। স্বাধীনতার পরও বাম রাজনীতির সঙ্গেই ছিলেন। ১৯৭০ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। তবে জিয়াউর রহমানের ডাকে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। তরিকুল ইসলাম ১৯৯১ সালে সাংসদ নির্বাচিত হন। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তিনি সমাজকল্যাণ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জোট সরকারের সময় প্রথমে তথ্য এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

তরিকুল ইসলাম বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হন ২০০৯ সালে দলটির কাউন্সিলের পর। তিনি যশোর থেকে প্রকাশিত লোকসমাজ সংবাদপত্রের প্রকাশকও ছিলেন।

অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে লাশ আজ রাতে তরিকুল ইসলামের শান্তিনগরের বাসায় নেওয়া হবে। কাল দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং যশোরে জানাজা হবে। এরপর লাশ যশোরে দাফন করা হবে।