ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

জঙ্গি মোকাবেলায় প্রতি বিভাগে কমান্ডো টিম: আইজিপি


খাগড়াছড়ি: জঙ্গি ও সন্ত্রাসী মোকাবেলায় দেশেরে প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো টিম রাখা হবে বলে জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খাগড়াছড়ির পান খাইয়া পাড়া এপিবিএন স্পেশালাইজড ট্রেনিং সেন্টারে পুলিশ কমান্ডো কোর্সের (পিসিসি-১) উদ্ধোধন শেষে একথা বলেন তিনি।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের পর পুলিশের স্পেশালাইজড প্রশিক্ষন কেন্দ্র ও প্রশিক্ষনের মাঠ ঘুরে দেখেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ‘বড় ধরনের জঙ্গি ও সন্ত্রাসী মোকাবিলায় পুলিশকে কমান্ডো প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। যে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের ধরন পাল্টেছে। তাই জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের ফলে পুলিশ কমান্ডোরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের যেকোনো অপতৎপরতা রোধ করতে সক্ষম হবে। এতে তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।’

সম্প্রতি জঙ্গি ও সন্ত্রাস মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘গুলশানের হলি আর্টিজান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাহিনীর সামর্থ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামসহ সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে পুলিশের কমান্ডো ফোর্সকে সুসজ্জিত করা হবে।’

এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি উন্নত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা এ ট্রেনিংয়ের প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন। সব মিলিয়ে ১৭ জন প্রশিক্ষক এ ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন।

উল্লেখ্য, এটি বাংলাদেশের এপিবিএন এর স্পেশালাইজড প্রথম কমান্ডো ট্রেনিং সেন্টার। প্রথম ব্যাচ হিসেবে এখানে ৩ জন এএসপি থেকে শুরু করে কনস্টেবলসহ বিভিন্ন র‌্যাংকের ৪৫ জন পুলিশ সদস্য এ প্রশিক্ষনে অংশ নেবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি সফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রেনিং অ্যান্ড স্পোর্টস) খন্দকার মহিদ উদ্দিন, খাগড়াছড়ি এপিবিএন বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অধিনায়ক আওরঙ্গজেব মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হ্লাচিংপ্রু, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মজিদ আলীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

জঙ্গি মোকাবেলায় প্রতি বিভাগে কমান্ডো টিম: আইজিপি

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


খাগড়াছড়ি: জঙ্গি ও সন্ত্রাসী মোকাবেলায় দেশেরে প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো টিম রাখা হবে বলে জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খাগড়াছড়ির পান খাইয়া পাড়া এপিবিএন স্পেশালাইজড ট্রেনিং সেন্টারে পুলিশ কমান্ডো কোর্সের (পিসিসি-১) উদ্ধোধন শেষে একথা বলেন তিনি।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের পর পুলিশের স্পেশালাইজড প্রশিক্ষন কেন্দ্র ও প্রশিক্ষনের মাঠ ঘুরে দেখেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ‘বড় ধরনের জঙ্গি ও সন্ত্রাসী মোকাবিলায় পুলিশকে কমান্ডো প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। যে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের ধরন পাল্টেছে। তাই জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের ফলে পুলিশ কমান্ডোরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের যেকোনো অপতৎপরতা রোধ করতে সক্ষম হবে। এতে তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।’

সম্প্রতি জঙ্গি ও সন্ত্রাস মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘গুলশানের হলি আর্টিজান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাহিনীর সামর্থ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামসহ সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে পুলিশের কমান্ডো ফোর্সকে সুসজ্জিত করা হবে।’

এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি উন্নত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা এ ট্রেনিংয়ের প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন। সব মিলিয়ে ১৭ জন প্রশিক্ষক এ ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন।

উল্লেখ্য, এটি বাংলাদেশের এপিবিএন এর স্পেশালাইজড প্রথম কমান্ডো ট্রেনিং সেন্টার। প্রথম ব্যাচ হিসেবে এখানে ৩ জন এএসপি থেকে শুরু করে কনস্টেবলসহ বিভিন্ন র‌্যাংকের ৪৫ জন পুলিশ সদস্য এ প্রশিক্ষনে অংশ নেবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি সফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রেনিং অ্যান্ড স্পোর্টস) খন্দকার মহিদ উদ্দিন, খাগড়াছড়ি এপিবিএন বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অধিনায়ক আওরঙ্গজেব মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হ্লাচিংপ্রু, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মজিদ আলীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা।