ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

গণতন্ত্রের সংলাপে নোবেল

1503
জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার মাধ্যমে শান্তিতে নোবেল জিতলো তিউনেশিয়ার চার প্রতিষ্ঠান। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্য তিউনিসিয়ান ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট নামের চার প্রতিষ্ঠানের জোটকে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
নোবেল বিজয়ী জোট যারা গণতন্ত্রের জন্য আলোচনায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছে। তিউনিসিয়ার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী এই চার সংগঠন হল- তিউনিসিয়ান জেনারেল লেবার ইউনিয়ন (ইউজিআইটি), দি তিউনিসিয়ান কনফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রি, ট্রেড অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস (ইউটিআইসিএ), তিউনিসিয়ান হিউম্যান রাইটস লিগ (এলটিডিএইচ) এবং তিউনিসিয়ান অর্ডার অব ল’ইয়ারস।
পুরষ্কার ঘোষণা করতে গিয়ে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ২০১১ সালের বিপ্ল¬বের পর তিউনেশিয়ায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় ভূমিকা রেখেছে তিউনিসিয়ান ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট। এ বছর এ মর্যাদাবান পুরষ্কারের জন্য প্রায় ২৭৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্টানকে বিবেচনা করা হচ্ছিল। এর মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও পোপ ফ্রান্সিসকে সম্ভাবনাময় ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু অবশেষে পুরষ্কারটি গেল তিউনেশিয়ার ওই প্রতিষ্ঠানের ঘরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

গণতন্ত্রের সংলাপে নোবেল

আপডেট সময় : ১০:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০১৫

1503
জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার মাধ্যমে শান্তিতে নোবেল জিতলো তিউনেশিয়ার চার প্রতিষ্ঠান। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্য তিউনিসিয়ান ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট নামের চার প্রতিষ্ঠানের জোটকে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
নোবেল বিজয়ী জোট যারা গণতন্ত্রের জন্য আলোচনায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছে। তিউনিসিয়ার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী এই চার সংগঠন হল- তিউনিসিয়ান জেনারেল লেবার ইউনিয়ন (ইউজিআইটি), দি তিউনিসিয়ান কনফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রি, ট্রেড অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস (ইউটিআইসিএ), তিউনিসিয়ান হিউম্যান রাইটস লিগ (এলটিডিএইচ) এবং তিউনিসিয়ান অর্ডার অব ল’ইয়ারস।
পুরষ্কার ঘোষণা করতে গিয়ে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ২০১১ সালের বিপ্ল¬বের পর তিউনেশিয়ায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় ভূমিকা রেখেছে তিউনিসিয়ান ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট। এ বছর এ মর্যাদাবান পুরষ্কারের জন্য প্রায় ২৭৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্টানকে বিবেচনা করা হচ্ছিল। এর মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও পোপ ফ্রান্সিসকে সম্ভাবনাময় ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু অবশেষে পুরষ্কারটি গেল তিউনেশিয়ার ওই প্রতিষ্ঠানের ঘরে।