ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

‘ওপর মহল থেকে চাপ আসতো ক্রিমিনালদের ছেড়ে দিতে’: এস কে সিনহা

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন, ‘কারো দয়া বা সহযোগিতায় প্রধান বিচারপতি হইনি। কিংবা অন্য কোন কারণেও এ পদে অধিষ্ঠিত করা হয়নি। নিজ গুণেই হয়েছিলাম।’

গত রবিবার বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ডের হিলেল ব্যারেন অডিটরিয়ামে নিজের লেখা ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ গ্রন্থের ওপর এক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাকারী সাবেক এই বিচারপতি আরও অভিযোগ করেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থে কোন কাজ করে না। তারা চাটুকারবেষ্টিত। চোর-ডাকাতদের সুবিধা দেয়। নিজ দলে থাকলে সবঠিক, বিপক্ষে গেলেই শত্রু।’

‘জনগণের কল্যাণে আমার অনেক সুপারিশ ছিল। কিন্তু সরকার তা গ্রহণ করেনি।এমনকি সরকারের ওপর মহল থেকে আমাকে চাপ দেয়া হতো ক্রিমিনালদের ছেড়ে দিতে।এভাবেই বাংলাদেশে বিচারের নামে মকারি চলছে’, অভিযোগ এস কে সিনহার।

এস কে সিনহা বঙ্গভবনকে ‘ব্যাংক ভবন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।’ এক পর্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত মহিউদ্দিন খান আলমগীরকেও ফারমার্স ব্যাংকের লুটপাটের দায় থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য চাপ দেয়া হয়েছিল।

সামনের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি কোন শক্তি যাতে বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা না করে সে আহ্বানও জানান এস কে সিনহা।নিউ ইংল্যান্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বস্টন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সোহরাব হোসেন সরকারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ আলোচনার সঞ্চালনা করেন ম্যারিল্যান্ড থেকে আসা কমিউনিটি এ্যাক্টিভিস্ট আনিস আহমেদ। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বস্টন সিটির কাউন্সিলম্যান টিটু জ্যাকসন।

আয়োজকরা জানান, বিশেষভাবে তালিকাভুক্ত ৪০ জনের মতো প্রবাসীর এ অনুষ্ঠানে ভার্জিনিয়া থেকে এসেছিলেন তারেক রহমানের শ্যালক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একাংশের নেতা শরাফত হোসেন বাবু, নিউইয়র্কের ঠিকানা পত্রিকার সিইও ও প্রেসিডেন্ট সাঈদ-উর রব, বিএনপি নেতা মার্শাল মুরাদ এবং কানাডা থেকে ড. আবিদ বাহার।

বহুল আলোচিত/সমালোচিত এই গ্রন্থের প্রথম আলোচনা হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল প্রেসক্লাবের একটি কক্ষে।সেখানে এস কে সিনহা বলেন যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অভিপ্রায়ে এসাইলাম প্রার্থনা করেছেন।সেটি এখন পর্যন্ত বিবেচনাধীন রয়েছে।

এস কে সিনহা বসবাস করছেন নিউজার্সিতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত প্যাটারসন সিটিতে ভাইয়ের কেনা একটি বাসায়।বস্টনের এই আলোচনার পর ক্রেতাদের অটোগ্রাফ দেন এস কে সিনহা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

‘ওপর মহল থেকে চাপ আসতো ক্রিমিনালদের ছেড়ে দিতে’: এস কে সিনহা

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন, ‘কারো দয়া বা সহযোগিতায় প্রধান বিচারপতি হইনি। কিংবা অন্য কোন কারণেও এ পদে অধিষ্ঠিত করা হয়নি। নিজ গুণেই হয়েছিলাম।’

গত রবিবার বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ডের হিলেল ব্যারেন অডিটরিয়ামে নিজের লেখা ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ গ্রন্থের ওপর এক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাকারী সাবেক এই বিচারপতি আরও অভিযোগ করেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থে কোন কাজ করে না। তারা চাটুকারবেষ্টিত। চোর-ডাকাতদের সুবিধা দেয়। নিজ দলে থাকলে সবঠিক, বিপক্ষে গেলেই শত্রু।’

‘জনগণের কল্যাণে আমার অনেক সুপারিশ ছিল। কিন্তু সরকার তা গ্রহণ করেনি।এমনকি সরকারের ওপর মহল থেকে আমাকে চাপ দেয়া হতো ক্রিমিনালদের ছেড়ে দিতে।এভাবেই বাংলাদেশে বিচারের নামে মকারি চলছে’, অভিযোগ এস কে সিনহার।

এস কে সিনহা বঙ্গভবনকে ‘ব্যাংক ভবন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।’ এক পর্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত মহিউদ্দিন খান আলমগীরকেও ফারমার্স ব্যাংকের লুটপাটের দায় থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য চাপ দেয়া হয়েছিল।

সামনের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি কোন শক্তি যাতে বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা না করে সে আহ্বানও জানান এস কে সিনহা।নিউ ইংল্যান্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বস্টন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সোহরাব হোসেন সরকারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ আলোচনার সঞ্চালনা করেন ম্যারিল্যান্ড থেকে আসা কমিউনিটি এ্যাক্টিভিস্ট আনিস আহমেদ। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বস্টন সিটির কাউন্সিলম্যান টিটু জ্যাকসন।

আয়োজকরা জানান, বিশেষভাবে তালিকাভুক্ত ৪০ জনের মতো প্রবাসীর এ অনুষ্ঠানে ভার্জিনিয়া থেকে এসেছিলেন তারেক রহমানের শ্যালক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একাংশের নেতা শরাফত হোসেন বাবু, নিউইয়র্কের ঠিকানা পত্রিকার সিইও ও প্রেসিডেন্ট সাঈদ-উর রব, বিএনপি নেতা মার্শাল মুরাদ এবং কানাডা থেকে ড. আবিদ বাহার।

বহুল আলোচিত/সমালোচিত এই গ্রন্থের প্রথম আলোচনা হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল প্রেসক্লাবের একটি কক্ষে।সেখানে এস কে সিনহা বলেন যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অভিপ্রায়ে এসাইলাম প্রার্থনা করেছেন।সেটি এখন পর্যন্ত বিবেচনাধীন রয়েছে।

এস কে সিনহা বসবাস করছেন নিউজার্সিতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত প্যাটারসন সিটিতে ভাইয়ের কেনা একটি বাসায়।বস্টনের এই আলোচনার পর ক্রেতাদের অটোগ্রাফ দেন এস কে সিনহা।