ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

‘অর্থমন্ত্রীকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষকদের’

1037
শিক্ষকদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে’ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এ বক্তব্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বুধবার তারা এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, সপ্তম বেতন কাঠামোতে সচিবদের ন্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপকদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চ গ্রেড ১-এ। শুধুমাত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব গ্রেড-১ এ থাকলেও একটি অতিরিক্ত ভাতা পেতেন। কিন্তু সদ্য ঘোষিত অষ্টম বেতন স্কেলে গ্রেড-১ এর উপরে আরো দুটি বিশেষ ধাপ থাকায় এবং সিলেকশন ে গ্রেড বাতিল করায় অধ্যাপকরা আর কোনোদিনই গ্রেড-১ প্রাপ্ত হবেন না- প্রকারান্তরে শিক্ষকদের চার ধাপ অবনমন করা হয়েছে।
ঘোষিত বেতন কাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের চার দফা দাবির কোনোটিই গ্রহণ করা হয়নি, এমনকি দাবি পূরণের বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোন দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়নি। উপরন্তু অর্থমন্ত্রী মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে শিক্ষকদের বিষয়ে বলেছেন- শিক্ষকদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। এছাড়াও তিনি শিক্ষকদের সম্পর্কে আরো কিছু বিরূপ মন্তব্য করেছেন, যা শুধু অনভিপ্রেতই নয় অসংলগ্নও বটে। অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও অযাচিত, বিরূপ ও হাস্যকর মন্তব্য করে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছেন। অতীতে তিনি স্বৈরাচার সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং এখনও তার স্বৈরাচারি মনোভাবের পরিবর্তন হয়নি বিধায় তিনি এরকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছেন। শিক্ষকদের সম্পর্কে তার এহেন মন্তব্য বাংলাদেশের শিক্ষা পরিবারের প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি সদস্যের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। এমতাবস্থায় আমরা অর্থমন্ত্রীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানাই। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।
আমরা প্রত্যাশা করি, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদাগত বৈষম্যের বিষয়টি নিরসনের প্রক্রিয়া শুরু করবেন এবং তাদের সাথে আলোচনা-পর্যালোচনা করে অনতিবিলম্বে ইপ্সিত সকল দাবি-দাওয়া পূরণ করবেন। অন্যথায় আমরা শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণে লাগাতার কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

‘অর্থমন্ত্রীকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষকদের’

আপডেট সময় : ০৯:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1037
শিক্ষকদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে’ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এ বক্তব্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বুধবার তারা এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, সপ্তম বেতন কাঠামোতে সচিবদের ন্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপকদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চ গ্রেড ১-এ। শুধুমাত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব গ্রেড-১ এ থাকলেও একটি অতিরিক্ত ভাতা পেতেন। কিন্তু সদ্য ঘোষিত অষ্টম বেতন স্কেলে গ্রেড-১ এর উপরে আরো দুটি বিশেষ ধাপ থাকায় এবং সিলেকশন ে গ্রেড বাতিল করায় অধ্যাপকরা আর কোনোদিনই গ্রেড-১ প্রাপ্ত হবেন না- প্রকারান্তরে শিক্ষকদের চার ধাপ অবনমন করা হয়েছে।
ঘোষিত বেতন কাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের চার দফা দাবির কোনোটিই গ্রহণ করা হয়নি, এমনকি দাবি পূরণের বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোন দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়নি। উপরন্তু অর্থমন্ত্রী মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে শিক্ষকদের বিষয়ে বলেছেন- শিক্ষকদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। এছাড়াও তিনি শিক্ষকদের সম্পর্কে আরো কিছু বিরূপ মন্তব্য করেছেন, যা শুধু অনভিপ্রেতই নয় অসংলগ্নও বটে। অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও অযাচিত, বিরূপ ও হাস্যকর মন্তব্য করে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছেন। অতীতে তিনি স্বৈরাচার সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং এখনও তার স্বৈরাচারি মনোভাবের পরিবর্তন হয়নি বিধায় তিনি এরকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছেন। শিক্ষকদের সম্পর্কে তার এহেন মন্তব্য বাংলাদেশের শিক্ষা পরিবারের প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি সদস্যের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। এমতাবস্থায় আমরা অর্থমন্ত্রীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানাই। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।
আমরা প্রত্যাশা করি, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদাগত বৈষম্যের বিষয়টি নিরসনের প্রক্রিয়া শুরু করবেন এবং তাদের সাথে আলোচনা-পর্যালোচনা করে অনতিবিলম্বে ইপ্সিত সকল দাবি-দাওয়া পূরণ করবেন। অন্যথায় আমরা শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণে লাগাতার কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।