ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

প্রতিবন্ধী আদ্রিয়ানা গিনেস বুকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: শরীর নাকি মন, শক্তিতে কে এগিয়ে?‌ যদি অঙ্ক কষতে হয়, যদি তর্কে যেতে হয়, উত্তর পাওয়াটা জটিল হতে পারে। কিন্তু যদি আদ্রিয়ানা ইরানে মাসিয়াস হার্নান্দেজের সঙ্গে আলাপ হয়, তা হলে কোনও অঙ্ক কষতে, কোনও তর্কে যেতে মন চাইবে না।

মেক্সিকোর ৩৯ বছরের আদ্রিয়ানা বসে আছেন একটি টেবিলের সামনে। টেবিলের ওপর পরপর রাখা মোমবাতি। আদ্রিয়ানার চেনা খেলাটাই খেলবে। ৬০ সেকেন্ডে ক’‌টা মোমবাতি জ্বালানো যায়। আদ্রিয়ানা শুরু করল। একের পর এক। আর দেখতে দেখতে জ্বালিয়ে ফেলল ১১টা মোমবাতি।

এ আর এমন কী কাজ?‌ নির্ঘাত লেখাটা এতখানি পড়ার পরেই মনের মধ্যে প্রশ্নটা জেগেছে?‌ স্বাভাবিক। কিন্তু গল্পটা যে এটুকু নয়। এই কাহিনীর আরেকটা দিক আছে। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে আসল চমক। ৬০ সেকেন্ডে ১১টা মোমবাতি আদ্রিয়ানা হাত দিয়ে জ্বালায়নি। জ্বালিয়েছে পা দিয়ে!‌ আর তা করেই গিনেস বুকে তুলে ফেলেছেন নাম।

জন্ম থেকেই আদ্রিয়ানার দু ‌হাত নেই। কিন্তু এই প্রতিবন্ধকতা সে শুধু কাটিয়ে ওঠেনি, গিনেস বুকে নাম তুলে প্রমাণ করেছে, মনের জোর থাকলে কী না করা যায়!

মোমবাতিগুলো আদ্রিয়ানা যখন একের পর এক জ্বালাচ্ছে, তখন তার পায়ে ধরা ছিল দেশলাই বাক্স। অন্য পা দিয়ে দেশলাই কাঠি ধরে, তা বাক্সের গায়ে ঘষে আগুন জ্বালিয়েছে। আর তারপর জ্বালিয়েছে মোম। ইতালির টেলিভিশন শো, ‘‌লো শো দেই’‌ তে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এর আগের রেকর্ড ছিল সাতটা মোম জ্বালানোর। পুরনো রেকর্ড ছিল ফুরম্যানের নামে।

আদ্রিয়ানার কীর্তি এখানেই শেষ নয়। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বই লিখেছেন তিনি। প্রতিবন্ধীদের যাতে গ্রহণ করে সমাজ, তার জন্যও লড়ছেন লড়াই। তাছাড়া?‌ আরও অনেক, অনেক কিছু করেন, করছেন আদ্রিয়ানা। তার মধ্যে অবশ্যই থাকে রোজের নিয়মমাফিক কাজগুলো। যেমন রান্না করা, ফোন ধরা, চুল বাঁধা আর অবশ্যই মেকআপ। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সাজুগুজু করতে সব মেয়েই ভালবাসে। আদ্রিয়ানাই বা ব্যতিক্রম হতে যাবেন কেন?‌

সত্যিই শরীরের শক্তিকেও টেক্কা দিয়ে যায় মন!‌ ‌‌‌

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

প্রতিবন্ধী আদ্রিয়ানা গিনেস বুকে

আপডেট সময় : ১২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: শরীর নাকি মন, শক্তিতে কে এগিয়ে?‌ যদি অঙ্ক কষতে হয়, যদি তর্কে যেতে হয়, উত্তর পাওয়াটা জটিল হতে পারে। কিন্তু যদি আদ্রিয়ানা ইরানে মাসিয়াস হার্নান্দেজের সঙ্গে আলাপ হয়, তা হলে কোনও অঙ্ক কষতে, কোনও তর্কে যেতে মন চাইবে না।

মেক্সিকোর ৩৯ বছরের আদ্রিয়ানা বসে আছেন একটি টেবিলের সামনে। টেবিলের ওপর পরপর রাখা মোমবাতি। আদ্রিয়ানার চেনা খেলাটাই খেলবে। ৬০ সেকেন্ডে ক’‌টা মোমবাতি জ্বালানো যায়। আদ্রিয়ানা শুরু করল। একের পর এক। আর দেখতে দেখতে জ্বালিয়ে ফেলল ১১টা মোমবাতি।

এ আর এমন কী কাজ?‌ নির্ঘাত লেখাটা এতখানি পড়ার পরেই মনের মধ্যে প্রশ্নটা জেগেছে?‌ স্বাভাবিক। কিন্তু গল্পটা যে এটুকু নয়। এই কাহিনীর আরেকটা দিক আছে। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে আসল চমক। ৬০ সেকেন্ডে ১১টা মোমবাতি আদ্রিয়ানা হাত দিয়ে জ্বালায়নি। জ্বালিয়েছে পা দিয়ে!‌ আর তা করেই গিনেস বুকে তুলে ফেলেছেন নাম।

জন্ম থেকেই আদ্রিয়ানার দু ‌হাত নেই। কিন্তু এই প্রতিবন্ধকতা সে শুধু কাটিয়ে ওঠেনি, গিনেস বুকে নাম তুলে প্রমাণ করেছে, মনের জোর থাকলে কী না করা যায়!

মোমবাতিগুলো আদ্রিয়ানা যখন একের পর এক জ্বালাচ্ছে, তখন তার পায়ে ধরা ছিল দেশলাই বাক্স। অন্য পা দিয়ে দেশলাই কাঠি ধরে, তা বাক্সের গায়ে ঘষে আগুন জ্বালিয়েছে। আর তারপর জ্বালিয়েছে মোম। ইতালির টেলিভিশন শো, ‘‌লো শো দেই’‌ তে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এর আগের রেকর্ড ছিল সাতটা মোম জ্বালানোর। পুরনো রেকর্ড ছিল ফুরম্যানের নামে।

আদ্রিয়ানার কীর্তি এখানেই শেষ নয়। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বই লিখেছেন তিনি। প্রতিবন্ধীদের যাতে গ্রহণ করে সমাজ, তার জন্যও লড়ছেন লড়াই। তাছাড়া?‌ আরও অনেক, অনেক কিছু করেন, করছেন আদ্রিয়ানা। তার মধ্যে অবশ্যই থাকে রোজের নিয়মমাফিক কাজগুলো। যেমন রান্না করা, ফোন ধরা, চুল বাঁধা আর অবশ্যই মেকআপ। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সাজুগুজু করতে সব মেয়েই ভালবাসে। আদ্রিয়ানাই বা ব্যতিক্রম হতে যাবেন কেন?‌

সত্যিই শরীরের শক্তিকেও টেক্কা দিয়ে যায় মন!‌ ‌‌‌