ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

অভিজিৎ হত্যার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৬ বার পিছায়

নিউজ ডেস্ক


ইমরান এইচ সরকার, ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, অভিজিৎ রায়কে হত্যার দুই বছর অতিক্রান্ত হলো। আপনারা জেনে আশ্চর্য হবেন এই দুইবছর সময়ে কেবল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখই অন্তত ১৬ বার পিছিয়েছে। বিচারে নেই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি।

বিজ্ঞানলেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে ‘মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও সামাজিক ন্যায়বিচার: কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ? শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইমরান এইচ সরকার বলেন, একজন-একজন করে ব্লগার খুন হয়েছেন আর সরকারের কর্তাব্যক্তিরা আমাদের নসিহত দিয়েছেন, আপনারা এটা লিখবেন, ওটা লিখবেন না। তারা দুইদিন পরপর বক্তব্য পরিবর্তন করেছেন। যাদেরকে অভিযুক্ত হিসেবে দেখ‍ানো হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ নেই বলে দাবি করেছেন গণমাধ্যমে। সরকারের এই ইঁদুর-বেড়াল খেলার মাঝে একটি একটি করে ঝরে গেছে অনেকগুলো তাজা প্রাণ।

সরকারের মদদেই ধারাবাহিক ব্লগার হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ইমরান।

ইমরান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একজন সাংসদকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা এটিকে ‘ক্লু-লেস’ হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। সে সময় ক্ষমতাসীন দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করে বক্তব্য এসেছিল। এখন জানা গিয়েছে আসল খুনি তাদের মহাজোটের ভেতরেই ঘাপটি মেরে বসেছিলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদিচ্ছায় সে সত্যটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের এই আন্তরিকতাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। একই সাথে প্রশ্ন রাখতে চাই, দুই মাসের ভেতরে যদি একটি ‘ক্লু-লেস’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়, তবে কেন ত্রিস্তর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে হওয়া অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন দুই বছরেও দাখিল করা সম্ভব হয় না?

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

অভিজিৎ হত্যার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৬ বার পিছায়

আপডেট সময় : ০৯:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নিউজ ডেস্ক


ইমরান এইচ সরকার, ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, অভিজিৎ রায়কে হত্যার দুই বছর অতিক্রান্ত হলো। আপনারা জেনে আশ্চর্য হবেন এই দুইবছর সময়ে কেবল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখই অন্তত ১৬ বার পিছিয়েছে। বিচারে নেই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি।

বিজ্ঞানলেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে ‘মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও সামাজিক ন্যায়বিচার: কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ? শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইমরান এইচ সরকার বলেন, একজন-একজন করে ব্লগার খুন হয়েছেন আর সরকারের কর্তাব্যক্তিরা আমাদের নসিহত দিয়েছেন, আপনারা এটা লিখবেন, ওটা লিখবেন না। তারা দুইদিন পরপর বক্তব্য পরিবর্তন করেছেন। যাদেরকে অভিযুক্ত হিসেবে দেখ‍ানো হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ নেই বলে দাবি করেছেন গণমাধ্যমে। সরকারের এই ইঁদুর-বেড়াল খেলার মাঝে একটি একটি করে ঝরে গেছে অনেকগুলো তাজা প্রাণ।

সরকারের মদদেই ধারাবাহিক ব্লগার হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ইমরান।

ইমরান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একজন সাংসদকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা এটিকে ‘ক্লু-লেস’ হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। সে সময় ক্ষমতাসীন দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করে বক্তব্য এসেছিল। এখন জানা গিয়েছে আসল খুনি তাদের মহাজোটের ভেতরেই ঘাপটি মেরে বসেছিলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদিচ্ছায় সে সত্যটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের এই আন্তরিকতাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। একই সাথে প্রশ্ন রাখতে চাই, দুই মাসের ভেতরে যদি একটি ‘ক্লু-লেস’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়, তবে কেন ত্রিস্তর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে হওয়া অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন দুই বছরেও দাখিল করা সম্ভব হয় না?