ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মাহমুদ আজম ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

ব্রিটেনে আসছে পাঁচ বছর মেয়াদী নতুন ভিসা

বেনিফিট কাট ও অভিবাসী নিয়ন্ত্রন নিজেদের আয়ত্বে রাখতে নতুন ধরণের পাঁচ বছরের কর্মী ভিসা দেয়ার কথা চিন্তা করছে ব্রিটেন সরকার। নতুন এই নিয়মে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট মাইগ্রেশন অথরিটি (ম্যাক) নির্ধারন করবে কতোজন বা কী পরিমাণ ভিসা ইস্যু করা হবে। এই ম্যাকই নির্ধারন করবে হসপিটালিটি, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, হেলথ, সোশ্যাল কেয়ার, খামার- যে সব সেক্টর মূলত ইমিগ্রেশন নির্ভর, সেসব সেক্টরে ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয়তা, পরিমাণ এবং ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে সুপারিশ বা মূল্যায়ন করবে।

ইমিগ্রেশন ও বর্ডারের উপর পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রন নিবে ব্রিটেন। সেজন্য সরকার এবং মন্ত্রীরা নতুন দুই ধরনের ইমিগ্রেশন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। টেরেজা মে দুই ধরনের পদ্ধতি নিয়ে মন্ত্রীদের এবং ইমিগ্রেশনের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশ নিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

সানডে টাইমসের ভাষ্য মতে, যে সব ইমিগ্রেন্ট আসবেন নতুন করে, সরকার তাদের পাঁচ বছরের জন্য ভিসা ইস্যুর কথা ভাবছে এবং তাঁরা এই সময়ের মধ্যে বেনিফিট ক্লেইম করতে পারবেন না। বেনিফিটের ব্যাপারেও কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে সরকার। এই পরিকল্পনায় ভাবা হচ্ছে, পাঁচ বছরের জন্য ভিসা দেয়া হবে, যাদের কাজ থাকবে এবং বেনিফিট ক্লেইমের সুযোগ থাকবেনা। মূলত মাইগ্রেশন দশ হাজার কমিয়ে আনার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

এই দুই ধরনের পরিকল্পনায় মন্ত্রী, সরকার এবং ম্যাক সব রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে ইমিগ্রেশন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পরিকল্পনা সাজাবে। সেটা অবশ্য প্রকাশও করা হবে। টেরেজা মে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্রিটিশদের জন্য কি পদক্ষেপ নেয়- সেটার উপর নিজের ইমিগ্রেশন পরিকল্পনা সাজাতে নির্দেশনাও দিয়েছেন। হোম অফিসের আইনজীবী সংশয় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এর ফলে সরকারকে আইনী বাধার মুখে পড়তে হতে পারে।

সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, এখনই চুড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা বলতে চেয়েছি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার পর অভিবাসনের ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় এই পদ্ধতি ফলপ্রসূ হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা যখন জাতীয় সমস্যা: তারেক রহমানের বক্তব্য ও কার্যকর প্রতিরোধের পথ লেখক: তাজ উদ্দীন

ব্রিটেনে আসছে পাঁচ বছর মেয়াদী নতুন ভিসা

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বেনিফিট কাট ও অভিবাসী নিয়ন্ত্রন নিজেদের আয়ত্বে রাখতে নতুন ধরণের পাঁচ বছরের কর্মী ভিসা দেয়ার কথা চিন্তা করছে ব্রিটেন সরকার। নতুন এই নিয়মে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট মাইগ্রেশন অথরিটি (ম্যাক) নির্ধারন করবে কতোজন বা কী পরিমাণ ভিসা ইস্যু করা হবে। এই ম্যাকই নির্ধারন করবে হসপিটালিটি, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, হেলথ, সোশ্যাল কেয়ার, খামার- যে সব সেক্টর মূলত ইমিগ্রেশন নির্ভর, সেসব সেক্টরে ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয়তা, পরিমাণ এবং ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে সুপারিশ বা মূল্যায়ন করবে।

ইমিগ্রেশন ও বর্ডারের উপর পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রন নিবে ব্রিটেন। সেজন্য সরকার এবং মন্ত্রীরা নতুন দুই ধরনের ইমিগ্রেশন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। টেরেজা মে দুই ধরনের পদ্ধতি নিয়ে মন্ত্রীদের এবং ইমিগ্রেশনের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশ নিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

সানডে টাইমসের ভাষ্য মতে, যে সব ইমিগ্রেন্ট আসবেন নতুন করে, সরকার তাদের পাঁচ বছরের জন্য ভিসা ইস্যুর কথা ভাবছে এবং তাঁরা এই সময়ের মধ্যে বেনিফিট ক্লেইম করতে পারবেন না। বেনিফিটের ব্যাপারেও কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে সরকার। এই পরিকল্পনায় ভাবা হচ্ছে, পাঁচ বছরের জন্য ভিসা দেয়া হবে, যাদের কাজ থাকবে এবং বেনিফিট ক্লেইমের সুযোগ থাকবেনা। মূলত মাইগ্রেশন দশ হাজার কমিয়ে আনার বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

এই দুই ধরনের পরিকল্পনায় মন্ত্রী, সরকার এবং ম্যাক সব রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে ইমিগ্রেশন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পরিকল্পনা সাজাবে। সেটা অবশ্য প্রকাশও করা হবে। টেরেজা মে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্রিটিশদের জন্য কি পদক্ষেপ নেয়- সেটার উপর নিজের ইমিগ্রেশন পরিকল্পনা সাজাতে নির্দেশনাও দিয়েছেন। হোম অফিসের আইনজীবী সংশয় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এর ফলে সরকারকে আইনী বাধার মুখে পড়তে হতে পারে।

সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, এখনই চুড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা বলতে চেয়েছি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার পর অভিবাসনের ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় এই পদ্ধতি ফলপ্রসূ হবে।