ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

মন্ত্রী-সচিবরাই নয়, আমার সন্তানদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে

মন্ত্রী-সচিবরাই নয়, আমার সন্তানদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে

বিশেষ সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে শুধু তৎকালীন মন্ত্রী-সচিব বা অন্যান্য কর্মকর্তা নয়, অামার ছেলে-মেয়েদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর বিষয় নিয়ে অামার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও যুক্তরাষ্ট্রের হোম অফিস থেকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সত্যের জয় একদিন হয় তা প্রমাণ হয়েছে। অাজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনানুষ্ঠানিক এক অালোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অালোচনায় প্রধানমন্ত্রী অারও বলেন, ড. ইউনূস যেন অারো কিছুদিন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকতে পারেন সেজন্য তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আমাকে ফোন করেছিলেন। তখন অামি তাকে বলেছিলাম, ওনার বয়স তো ষাট বছর হয়ে গেছে। সুতরাং নিয়ম অনুযায়ী ড. ইউনূস অার গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকতে পারেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর বিষয়ে বিশ্বব্যাংক তখন একের পর এক শর্ত দিয়েছে। তখন বলা হয়েছে, একে বাদ দিতে হবে, ওকে বাদ দিলে কোনো অসুবিধা হবে না। তাদের এসব কথার কারণে অামাদের অনেক সময় নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের কথায় অাসলে তখন সিদ্ধান্তগুলো নেয়া সঠিক হয়নি। তিনি বলেন, এর অাগে অামি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে তাকে চারশ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া গ্রামীণফোনের কাজ পাওয়ার জন্য অামাদের সরকার ড. ইউনূসকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এত কিছুর পরও ইউনূস সাহেব অামাদের সম্পর্কে নানা উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন। এ কারণে একটা সময় এসে মার্কিন অ্যাম্বাসেডরকে পর্যন্ত আমার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেয়নি।

অালোচনা শেষে ইয়াফেস ওসমান পদ্মা সেতু ও বিশ্বব্যাংক নিয়ে চার লাইন কবিতা শোনান প্রধানমন্ত্রীকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

মন্ত্রী-সচিবরাই নয়, আমার সন্তানদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে

আপডেট সময় : ১১:৪২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

মন্ত্রী-সচিবরাই নয়, আমার সন্তানদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে

বিশেষ সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে শুধু তৎকালীন মন্ত্রী-সচিব বা অন্যান্য কর্মকর্তা নয়, অামার ছেলে-মেয়েদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর বিষয় নিয়ে অামার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও যুক্তরাষ্ট্রের হোম অফিস থেকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সত্যের জয় একদিন হয় তা প্রমাণ হয়েছে। অাজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনানুষ্ঠানিক এক অালোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অালোচনায় প্রধানমন্ত্রী অারও বলেন, ড. ইউনূস যেন অারো কিছুদিন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকতে পারেন সেজন্য তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আমাকে ফোন করেছিলেন। তখন অামি তাকে বলেছিলাম, ওনার বয়স তো ষাট বছর হয়ে গেছে। সুতরাং নিয়ম অনুযায়ী ড. ইউনূস অার গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকতে পারেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর বিষয়ে বিশ্বব্যাংক তখন একের পর এক শর্ত দিয়েছে। তখন বলা হয়েছে, একে বাদ দিতে হবে, ওকে বাদ দিলে কোনো অসুবিধা হবে না। তাদের এসব কথার কারণে অামাদের অনেক সময় নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের কথায় অাসলে তখন সিদ্ধান্তগুলো নেয়া সঠিক হয়নি। তিনি বলেন, এর অাগে অামি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে তাকে চারশ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া গ্রামীণফোনের কাজ পাওয়ার জন্য অামাদের সরকার ড. ইউনূসকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এত কিছুর পরও ইউনূস সাহেব অামাদের সম্পর্কে নানা উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন। এ কারণে একটা সময় এসে মার্কিন অ্যাম্বাসেডরকে পর্যন্ত আমার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেয়নি।

অালোচনা শেষে ইয়াফেস ওসমান পদ্মা সেতু ও বিশ্বব্যাংক নিয়ে চার লাইন কবিতা শোনান প্রধানমন্ত্রীকে।