ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

এই কিশোরের পুরো শরীর দিয়ে প্রতিদিন ১০ বারেরও বেশি রক্ত ঝরে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ‘অখিলেশ রাঘুভানশি’ অন্য দশজনের মতোই সাধারণ কিশোর। তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে, তার পুরো শরীর দিয়ে এমনিতেই ঝরে রক্ত।

১৩ বছর বয়সী এই কিশোরের বাড়ি মধ্যপ্রদেশের অশোকনগরে। তাকে ডাকা হয় ‘স্টিগমাটা বয়’ বলে। বিশ্বে শরীর দিয়ে রক্ত ঝরা হাতেগোনা যে ক’জন মানুষ আছে, অখিলেশ তাদের একজন। খবর- ডেইলি মেইলের

তার শারীরিক অবস্থা খুব জটিল ও রহস্যময়। চোখ, কান, মুখ, পা, এমনকি চুলের গোড়া দিয়েও দিনে ১০ বারের বেশি রক্ত ঝরে। রক্তের স্রোতধারা বয়ে যায় তার শরীর দিয়ে। এ সময় সে নিদারুণ অবসাদগ্রস্ত ও মাইগ্রেন সমস্যায় ভোগে।

ভারতের নামি-দামি সব চিকিৎসক ঘেঁটে ব্যর্থ হওয়ার পর ছেলের রোগ নিরাময়ের আশা একেবারে ছেড়ে দিয়েছেন বাবা অরুণ। তবে কৃষক অরুণ এখন অখিলেশের চিকিৎসার জন্য বিদেশি চিকিৎসকদের সাহায্য চেয়েছেন।

জানা যায়, আজ থেকে তিন বছর আগে প্রথম যখন তার নাক থেকে এমনিতেই রক্ত ঝরে পড়ছে, তখন তার বাবা-মা ভেবেছিলেন সে হয়তো পানিশূন্যতায় ভুগছে। কিন্তু কিছুদিন পর সেই ভুল ভাঙতে শুরু করে। এরপর তারা বুঝতে পারেন এটা মারাত্মক রোগ।

কেন তার শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্ত ঝরে, তা নিয়ে চিকিৎসকরাও বিভ্রান্ত। কিন্তু কেউ কেউ ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে মত দেন, হাইমোলাস্রিয়ার (অশ্রুর বদলে রক্ত পড়া) মতোই বিরল রোগে আক্রান্ত হতে পারে সে।
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের বেশ কিছু চিকিৎসক অখিলেশের বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

মরিয়া অখিলেশের বলেন, আমার চোখ, হাত ও মাথা সব জায়গা থেকেই রক্ত ঝরে। কান, নাক ও চোখ দিয়েও রক্ত পড়ে। যখন কান দিয়ে রক্ত ঝরে, তখন গরম অনুভূত হয়। এটা দিনে একবার, এমনকি ১০ বারও হয়। কিছু সময় পর রক্ত ঝরা বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েক মাস আর হয় না। কিন্তু গত ১৫ দিনের প্রতিদিনই রক্ত ঝরেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

এই কিশোরের পুরো শরীর দিয়ে প্রতিদিন ১০ বারেরও বেশি রক্ত ঝরে!

আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ‘অখিলেশ রাঘুভানশি’ অন্য দশজনের মতোই সাধারণ কিশোর। তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে, তার পুরো শরীর দিয়ে এমনিতেই ঝরে রক্ত।

১৩ বছর বয়সী এই কিশোরের বাড়ি মধ্যপ্রদেশের অশোকনগরে। তাকে ডাকা হয় ‘স্টিগমাটা বয়’ বলে। বিশ্বে শরীর দিয়ে রক্ত ঝরা হাতেগোনা যে ক’জন মানুষ আছে, অখিলেশ তাদের একজন। খবর- ডেইলি মেইলের

তার শারীরিক অবস্থা খুব জটিল ও রহস্যময়। চোখ, কান, মুখ, পা, এমনকি চুলের গোড়া দিয়েও দিনে ১০ বারের বেশি রক্ত ঝরে। রক্তের স্রোতধারা বয়ে যায় তার শরীর দিয়ে। এ সময় সে নিদারুণ অবসাদগ্রস্ত ও মাইগ্রেন সমস্যায় ভোগে।

ভারতের নামি-দামি সব চিকিৎসক ঘেঁটে ব্যর্থ হওয়ার পর ছেলের রোগ নিরাময়ের আশা একেবারে ছেড়ে দিয়েছেন বাবা অরুণ। তবে কৃষক অরুণ এখন অখিলেশের চিকিৎসার জন্য বিদেশি চিকিৎসকদের সাহায্য চেয়েছেন।

জানা যায়, আজ থেকে তিন বছর আগে প্রথম যখন তার নাক থেকে এমনিতেই রক্ত ঝরে পড়ছে, তখন তার বাবা-মা ভেবেছিলেন সে হয়তো পানিশূন্যতায় ভুগছে। কিন্তু কিছুদিন পর সেই ভুল ভাঙতে শুরু করে। এরপর তারা বুঝতে পারেন এটা মারাত্মক রোগ।

কেন তার শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্ত ঝরে, তা নিয়ে চিকিৎসকরাও বিভ্রান্ত। কিন্তু কেউ কেউ ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে মত দেন, হাইমোলাস্রিয়ার (অশ্রুর বদলে রক্ত পড়া) মতোই বিরল রোগে আক্রান্ত হতে পারে সে।
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের বেশ কিছু চিকিৎসক অখিলেশের বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

মরিয়া অখিলেশের বলেন, আমার চোখ, হাত ও মাথা সব জায়গা থেকেই রক্ত ঝরে। কান, নাক ও চোখ দিয়েও রক্ত পড়ে। যখন কান দিয়ে রক্ত ঝরে, তখন গরম অনুভূত হয়। এটা দিনে একবার, এমনকি ১০ বারও হয়। কিছু সময় পর রক্ত ঝরা বন্ধ হয়ে যায় এবং কয়েক মাস আর হয় না। কিন্তু গত ১৫ দিনের প্রতিদিনই রক্ত ঝরেছে।