ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

প্রত্যাশিত ইসি না হলে কি করবে বিএনপি


নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে সার্চ কমিটি নিয়ে আশাবাদী ছিল বিএনপি। কিন্তু গঠিত সার্চ কমিটিতে সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি দলটির। এরপরও সার্চ কমিটির কাছে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে নাম প্রস্তাব করেছে বিএনপি। তবে ইসি যদি বিএনপির প্রত্যাশিত না হয় তাহলে কি করবে দলটি?

সূত্র জানায়, প্রত্যাশিত ইসি না হলেও আপাতত জোরালো আন্দোলনের চিন্তাভাবনা নেই দলটির। তবে দলের কয়েকজন নেতা মনে করেন আন্দোলনের বিকল্প নেই। কারণ নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতেই আন্দোলনে যেতে হবে।

দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সার্চ কমিটির মতো ইসিও অপ্রত্যাশিত হলে তড়িঘড়ি বড় কোনো কর্মসূচিতে যাবে না বিএনপি। নির্বাচনের এত আগেই আন্দোলনে গেলে মামলা হামলায় বেকায়দায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ২০ বছর ধরে সম্পৃক্ত এমন এক নেতা বলেন, এ মুহূর্তে বিএনপির কি করা উচিত চেয়ারপারসনকে অনুধাবনের জন্য গুলশান কার্যালয়ে নিয়মিত বসা দরকার। পাশাপাশি শিগগিরই রাজধানীসহ অন্যান্য ইউনিটে কমিটি করা। এছাড়া নির্বাচনের আগে বিভাগীয় শহরগুলোতে ম্যাডামের সমাবেশ করা উচিত।

এদিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের লোকদের দিয়েই নতুন ইসি গঠন হবে ধারণা করা হচ্ছে। তাই বিএনপিকে বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আবার কেউ কেউ বলেন, বিএনপির প্রস্তাবিত নাম থেকে নতুন ইসিতে হয়তো একজনকে রাখা হবে। সেক্ষেত্রে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনের পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

তবে দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশন অপ্রত্যাশিত হলে বিএনপির তো আর কোনো স্কোপ থাকবে না। ফলে বিএনপিকে রাজপথেই ফয়সালা করতে হবে।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য বিএনপির আলোচনার কথা বললেও আওয়ামী লীগ বলেনি। পরে সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে অভিনব ঘটনা জাতির সামনে উপস্থাপিত হলো। এরপরও বিএনপি আস্থা রাখতে চায়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জনগণ চায় দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসবে। এজন্য সার্চ কমিটিতে নাম জমা দিয়েছে বিএনপি।

দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ইসি গঠনের পরই বিএনপি সিদ্ধান্ত নেবে কি করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

প্রত্যাশিত ইসি না হলে কি করবে বিএনপি

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে সার্চ কমিটি নিয়ে আশাবাদী ছিল বিএনপি। কিন্তু গঠিত সার্চ কমিটিতে সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি দলটির। এরপরও সার্চ কমিটির কাছে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে নাম প্রস্তাব করেছে বিএনপি। তবে ইসি যদি বিএনপির প্রত্যাশিত না হয় তাহলে কি করবে দলটি?

সূত্র জানায়, প্রত্যাশিত ইসি না হলেও আপাতত জোরালো আন্দোলনের চিন্তাভাবনা নেই দলটির। তবে দলের কয়েকজন নেতা মনে করেন আন্দোলনের বিকল্প নেই। কারণ নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতেই আন্দোলনে যেতে হবে।

দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সার্চ কমিটির মতো ইসিও অপ্রত্যাশিত হলে তড়িঘড়ি বড় কোনো কর্মসূচিতে যাবে না বিএনপি। নির্বাচনের এত আগেই আন্দোলনে গেলে মামলা হামলায় বেকায়দায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ২০ বছর ধরে সম্পৃক্ত এমন এক নেতা বলেন, এ মুহূর্তে বিএনপির কি করা উচিত চেয়ারপারসনকে অনুধাবনের জন্য গুলশান কার্যালয়ে নিয়মিত বসা দরকার। পাশাপাশি শিগগিরই রাজধানীসহ অন্যান্য ইউনিটে কমিটি করা। এছাড়া নির্বাচনের আগে বিভাগীয় শহরগুলোতে ম্যাডামের সমাবেশ করা উচিত।

এদিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের লোকদের দিয়েই নতুন ইসি গঠন হবে ধারণা করা হচ্ছে। তাই বিএনপিকে বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আবার কেউ কেউ বলেন, বিএনপির প্রস্তাবিত নাম থেকে নতুন ইসিতে হয়তো একজনকে রাখা হবে। সেক্ষেত্রে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনের পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

তবে দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশন অপ্রত্যাশিত হলে বিএনপির তো আর কোনো স্কোপ থাকবে না। ফলে বিএনপিকে রাজপথেই ফয়সালা করতে হবে।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য বিএনপির আলোচনার কথা বললেও আওয়ামী লীগ বলেনি। পরে সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে অভিনব ঘটনা জাতির সামনে উপস্থাপিত হলো। এরপরও বিএনপি আস্থা রাখতে চায়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জনগণ চায় দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসবে। এজন্য সার্চ কমিটিতে নাম জমা দিয়েছে বিএনপি।

দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ইসি গঠনের পরই বিএনপি সিদ্ধান্ত নেবে কি করা হবে।