ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে চালক নিহত বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা

আমার কোনও দুঃখ নাই, কষ্ট নাই: জন্মদিনে অর্থমন্ত্রী

আমার কোনও দুঃখ নাই, কষ্ট নাই: জন্মদিনে অর্থমন্ত্রী
শফিকুল ইসলাম

আজ বুধবার (২৫ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের জন্মদিন। ৮৩ পেরিয়ে ৮৪ বছরে পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি।
এবারের জন্মদিনে অর্থমন্ত্রীর সচিবালয়ের আসার কথা ছিল না। তবে বুধবার তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার দিকে তিনি অল্প সময়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে আসবেন। বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে নিজের লেখা ‘স্মৃতিময় কর্মজীবন’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী। শাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানেই জন্মদিন পালন করা হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জন্মদিনের অনুভূতি জানতে চাইলে আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৮৪ বছরে পা রাখতে পেরে ভালো লাগছে। বেঁচে থাকা উপভোগ করছি। কাজের ভেতরে থাকতে ভালো লাগে। আমার তেমন রোগবালাই নাই, কষ্ট নাই। তাই আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। জীবনের এতটা পথ পাড়ি দিলেও আমার কোনও দুঃখ নাই।’

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা। পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম নেতা,তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের তৃতীয় সন্তান তিনি। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।

১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সারা প্রদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। এরপর ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম এবং ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।
আবুল মাল আব্দুল মুহিত চাকরিরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নসহ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)যোগদানের পর তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার, পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে তিনি পরিকল্পনা সচিব এবং ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগে সচিব পদে নিযুক্ত হন।

অর্থমন্ত্রী মুহিত পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান ও উপসচিব থাকাকালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে বৈষম্য ছিল, তার ওপর ১৯৬৬ সালে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা পালনে পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে এটিই ছিল এ বিষয়ের ওপর প্রথম প্রতিবেদন। ওয়াশিংটন দূতাবাসের প্রথম কূটনীতিবিদ হিসাবে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১এর জুন মাসে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন তিনি।

অর্থনৈতিক কূটনীতিতে আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বিশেষ খ্যাতি আছে। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় তিনি একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে তিনি অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরামর্শক হিসেবে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ও ইফাদে কাজ শুরু করেন।
১৯৮২ সালের মার্চ থেকে ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসাবে কাজ করেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উড্রো উইলসন স্কুলে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ইতিহাস, জনপ্রশাসন, রাজনৈতিক সমস্যা সহ বিভিন্ন বিষয়ে তার ২৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের একজন পথিকৃৎ। তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং এর আগের সংগঠন ‘পরশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত একজন বিশিষ্ট ডিজাইনার। মুহিত-সাবিয়া দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম কন্যা বেগম সামিনা মুহিত একজন ব্যাংকার এবং মুদ্রানীতি ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিউইয়র্কে কর্মরত। তাদের বড় ছেলে সাহেদ মুহিত স্থপতি ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে ঢাকায় কর্মরত। ছোট ছেলে সামির মুহিত যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে শিক্ষকতা করছেন।
অর্থমন্ত্রী মুহিত সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটা ছিল তার টানা ৮ম আর সব মিলিয়ে ১০ম বাজেট।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

আমার কোনও দুঃখ নাই, কষ্ট নাই: জন্মদিনে অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৭

আমার কোনও দুঃখ নাই, কষ্ট নাই: জন্মদিনে অর্থমন্ত্রী
শফিকুল ইসলাম

আজ বুধবার (২৫ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের জন্মদিন। ৮৩ পেরিয়ে ৮৪ বছরে পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি।
এবারের জন্মদিনে অর্থমন্ত্রীর সচিবালয়ের আসার কথা ছিল না। তবে বুধবার তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার দিকে তিনি অল্প সময়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে আসবেন। বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে নিজের লেখা ‘স্মৃতিময় কর্মজীবন’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী। শাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানেই জন্মদিন পালন করা হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জন্মদিনের অনুভূতি জানতে চাইলে আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৮৪ বছরে পা রাখতে পেরে ভালো লাগছে। বেঁচে থাকা উপভোগ করছি। কাজের ভেতরে থাকতে ভালো লাগে। আমার তেমন রোগবালাই নাই, কষ্ট নাই। তাই আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। জীবনের এতটা পথ পাড়ি দিলেও আমার কোনও দুঃখ নাই।’

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা। পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম নেতা,তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের তৃতীয় সন্তান তিনি। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।

১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সারা প্রদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। এরপর ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম এবং ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।
আবুল মাল আব্দুল মুহিত চাকরিরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নসহ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)যোগদানের পর তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার, পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে তিনি পরিকল্পনা সচিব এবং ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগে সচিব পদে নিযুক্ত হন।

অর্থমন্ত্রী মুহিত পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান ও উপসচিব থাকাকালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে বৈষম্য ছিল, তার ওপর ১৯৬৬ সালে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা পালনে পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে এটিই ছিল এ বিষয়ের ওপর প্রথম প্রতিবেদন। ওয়াশিংটন দূতাবাসের প্রথম কূটনীতিবিদ হিসাবে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১এর জুন মাসে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন তিনি।

অর্থনৈতিক কূটনীতিতে আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বিশেষ খ্যাতি আছে। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় তিনি একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে তিনি অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরামর্শক হিসেবে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ও ইফাদে কাজ শুরু করেন।
১৯৮২ সালের মার্চ থেকে ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসাবে কাজ করেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উড্রো উইলসন স্কুলে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ইতিহাস, জনপ্রশাসন, রাজনৈতিক সমস্যা সহ বিভিন্ন বিষয়ে তার ২৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের একজন পথিকৃৎ। তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং এর আগের সংগঠন ‘পরশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত একজন বিশিষ্ট ডিজাইনার। মুহিত-সাবিয়া দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম কন্যা বেগম সামিনা মুহিত একজন ব্যাংকার এবং মুদ্রানীতি ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিউইয়র্কে কর্মরত। তাদের বড় ছেলে সাহেদ মুহিত স্থপতি ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে ঢাকায় কর্মরত। ছোট ছেলে সামির মুহিত যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে শিক্ষকতা করছেন।
অর্থমন্ত্রী মুহিত সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটা ছিল তার টানা ৮ম আর সব মিলিয়ে ১০ম বাজেট।