ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

‘সাইফুর রহমান দেশের আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি’

স্টাফ রিপোর্টার,
954
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড.এটিএম শামসুল হুদা বলেছেন, প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এম সাইফুর রহমান বাংলাদেশর আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি।
দেশের অর্থনীতির জন্য সাইফুর রহমান যে অবদান রেখে গেছেন চাইলেই কেউ এ অবদান অস্বীকার করতে পারবে না। ব্যাংকিং সেক্টরে যে বিশৃঙ্খলা ছিল, তা শৃঙ্খলায় এনেছেন তিনি। ঋণ খেলাপীর বিষয়ে তার ছিল শক্ত অবস্থান। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম-কানুনের বালাই ছিল না। সাইফুর রহমান সেটাকে নিয়মের ভেতরে এনেছেন।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সাইফুরের রহমানের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শামছুল হুদা বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যা কল্যাণ মনে করেছেন, তাই করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সিলেট জেলার সন্তান হলেও কাউকে জেলা দিয়ে মূল্যায়ণ করতেন না। কাজ ও সুনাম দিয়ে সবাইকে মূল্যায়ণ করতেন। এজন্য তার প্রতি সরকারি কর্মচারীদের যে শ্রদ্ধা ও ভক্তি ছিলো, তা বিরল। সাবেক এই সিইসি আরো বলেন, সাইফুর রহমানকে বাইরে থেকে অনেকেই খুব কঠিন হিসেবে জানতেন। কিন্তু তার ভেতরের প্রকৃতিটা কত সরল, তা কাছে না গেলে বুঝা যেতো না। শামছুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যক্তি স্বার্থ বলে একটা কথা থাকে। কিন্তু সাইফুর রহমান এর থেকে অনেক দূরে ছিলেন।
আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সাইফুর রহমান বাংলাদেশের সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তিনি খুটিনাটি বিষয়গুলি খুব সহজে বুঝতেন। তিনি ছিলেন অনেক প্রজ্ঞাবান ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেন, সাইফুর রহমানের মধ্যে দলকানা ব্যাপারটি ছিল না। তিনি নিজেকে সব সময় রাজনীতির উর্ধে রাখতেন। তিনি বলেন, সাইফুর রহমান এমন একজন ব্যাক্তিত্ব, যাকে আঞ্চলিক পরিসরে আবদ্ধ করে রাখা ঠিক হবে না। তিনি গোটা দেশর সম্পদ। যার মৃত্যুতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন। সাবেক অর্থ সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক জাকির আহমদ খান বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন। তা চিরদিন অবস্মরনীয় হয়ে থাকবে।
দূররে সামাদ রহমান ও সাইফুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুর রহমানের পূত্র এম নাসের রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাবেক অর্থসচিব ছিদ্দিকুর রহমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

‘সাইফুর রহমান দেশের আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি’

আপডেট সময় : ০৭:১৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
954
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড.এটিএম শামসুল হুদা বলেছেন, প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এম সাইফুর রহমান বাংলাদেশর আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি।
দেশের অর্থনীতির জন্য সাইফুর রহমান যে অবদান রেখে গেছেন চাইলেই কেউ এ অবদান অস্বীকার করতে পারবে না। ব্যাংকিং সেক্টরে যে বিশৃঙ্খলা ছিল, তা শৃঙ্খলায় এনেছেন তিনি। ঋণ খেলাপীর বিষয়ে তার ছিল শক্ত অবস্থান। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম-কানুনের বালাই ছিল না। সাইফুর রহমান সেটাকে নিয়মের ভেতরে এনেছেন।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সাইফুরের রহমানের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শামছুল হুদা বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যা কল্যাণ মনে করেছেন, তাই করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সিলেট জেলার সন্তান হলেও কাউকে জেলা দিয়ে মূল্যায়ণ করতেন না। কাজ ও সুনাম দিয়ে সবাইকে মূল্যায়ণ করতেন। এজন্য তার প্রতি সরকারি কর্মচারীদের যে শ্রদ্ধা ও ভক্তি ছিলো, তা বিরল। সাবেক এই সিইসি আরো বলেন, সাইফুর রহমানকে বাইরে থেকে অনেকেই খুব কঠিন হিসেবে জানতেন। কিন্তু তার ভেতরের প্রকৃতিটা কত সরল, তা কাছে না গেলে বুঝা যেতো না। শামছুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যক্তি স্বার্থ বলে একটা কথা থাকে। কিন্তু সাইফুর রহমান এর থেকে অনেক দূরে ছিলেন।
আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সাইফুর রহমান বাংলাদেশের সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তিনি খুটিনাটি বিষয়গুলি খুব সহজে বুঝতেন। তিনি ছিলেন অনেক প্রজ্ঞাবান ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেন, সাইফুর রহমানের মধ্যে দলকানা ব্যাপারটি ছিল না। তিনি নিজেকে সব সময় রাজনীতির উর্ধে রাখতেন। তিনি বলেন, সাইফুর রহমান এমন একজন ব্যাক্তিত্ব, যাকে আঞ্চলিক পরিসরে আবদ্ধ করে রাখা ঠিক হবে না। তিনি গোটা দেশর সম্পদ। যার মৃত্যুতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন। সাবেক অর্থ সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক জাকির আহমদ খান বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন। তা চিরদিন অবস্মরনীয় হয়ে থাকবে।
দূররে সামাদ রহমান ও সাইফুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুর রহমানের পূত্র এম নাসের রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাবেক অর্থসচিব ছিদ্দিকুর রহমান।