ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

যে গ্রামে অসুস্থ হওয়া নিষিদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার,
380
ইটালির দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রাম সেলিয়ায় অসুস্থ হওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ডিক্রি জারি করেছেন গ্রামের মেয়র।

গ্রামের কোনও বাসিন্দা সময়মত ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অসুস্থ হলে তাকে বাড়তি কর দিতে হবে। আর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সুস্থ থাকলে তাকে কর সুবিধা দেওয়া হবে।

এজিআই বার্তা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, একসাথে দুটো লক্ষ্য অর্জনে সেলিয়ার মেয়র ডাভিড জিক্কিনেলা অভিনব এই নির্দেশ জারি করেছেন — স্থানীয় বাসিন্দাদের সুস্থতা এবং সেইসাথে গ্রামের জনসংখ্যা হ্রাস থামানো।

মেয়র জিক্কিনেলা, যিনি নিজে একজন চিকিৎসক, বলেন, “যারা রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে নিজের স্বাস্থ্য তথা আমাদের পুরো গ্রামকে বিপদগ্রস্ত করবে, তাদের বাড়তি কর গুনতে হবে।”

গ্রাম পরিষদের ওয়েবসাইটে মেয়রের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রামের মধ্যে রোগগ্রস্থ হওয়া “নিষিদ্ধ”।

সেলিয়ায় ১৯৫১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১৪০০। তা কমতে কমতে এখন দাঁড়িয়েছে পাঁচশতে, যাদের ৬০ শতাংশই পেনশনার।

মেয়র জিক্কিনেলা বলেন, গ্রামের লোকসংখ্যা আরও কমুক, তিনি তা কোনোমতেই চান না। সবধরনের স্বাস্থ্য সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তিনি শুধু চাইছেন মানুষ যেন সেগুলোর সুযোগ নেয়।

সুস্থতার জন্য তার এই শক্ত পদক্ষেপ কাজে লাগছে বলে মনে হয়। গত এক মাসে একশর মত লোক স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন।

লেখাপড়া এবং কাজের জন্য তরুণ যুবকদের বাড়ি ছাড়ার প্রবণতার জেরে ইটালির গ্রাম এবং ছোট ছোট শহরে জনসংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিকরা অনেকদিন ধরেই চিন্তিত।

মানুষজন যাতে শহর না ছাড়ে, সে জন্য সিসিলির গাঙ্গি নামক একটি শহরে পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকে বিনা পয়সায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

যে গ্রামে অসুস্থ হওয়া নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১১:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
380
ইটালির দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রাম সেলিয়ায় অসুস্থ হওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ডিক্রি জারি করেছেন গ্রামের মেয়র।

গ্রামের কোনও বাসিন্দা সময়মত ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অসুস্থ হলে তাকে বাড়তি কর দিতে হবে। আর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সুস্থ থাকলে তাকে কর সুবিধা দেওয়া হবে।

এজিআই বার্তা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, একসাথে দুটো লক্ষ্য অর্জনে সেলিয়ার মেয়র ডাভিড জিক্কিনেলা অভিনব এই নির্দেশ জারি করেছেন — স্থানীয় বাসিন্দাদের সুস্থতা এবং সেইসাথে গ্রামের জনসংখ্যা হ্রাস থামানো।

মেয়র জিক্কিনেলা, যিনি নিজে একজন চিকিৎসক, বলেন, “যারা রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে নিজের স্বাস্থ্য তথা আমাদের পুরো গ্রামকে বিপদগ্রস্ত করবে, তাদের বাড়তি কর গুনতে হবে।”

গ্রাম পরিষদের ওয়েবসাইটে মেয়রের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রামের মধ্যে রোগগ্রস্থ হওয়া “নিষিদ্ধ”।

সেলিয়ায় ১৯৫১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১৪০০। তা কমতে কমতে এখন দাঁড়িয়েছে পাঁচশতে, যাদের ৬০ শতাংশই পেনশনার।

মেয়র জিক্কিনেলা বলেন, গ্রামের লোকসংখ্যা আরও কমুক, তিনি তা কোনোমতেই চান না। সবধরনের স্বাস্থ্য সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তিনি শুধু চাইছেন মানুষ যেন সেগুলোর সুযোগ নেয়।

সুস্থতার জন্য তার এই শক্ত পদক্ষেপ কাজে লাগছে বলে মনে হয়। গত এক মাসে একশর মত লোক স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন।

লেখাপড়া এবং কাজের জন্য তরুণ যুবকদের বাড়ি ছাড়ার প্রবণতার জেরে ইটালির গ্রাম এবং ছোট ছোট শহরে জনসংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিকরা অনেকদিন ধরেই চিন্তিত।

মানুষজন যাতে শহর না ছাড়ে, সে জন্য সিসিলির গাঙ্গি নামক একটি শহরে পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকে বিনা পয়সায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।