ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নিত্যপণ্যের দর অস্বাভাবিক

961
হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের বাজার দর কোনো অবস্থাতেই স্বাভাবিক হচ্ছে না।
শুক্রবার বাজারগুলোতে বেশির ভাগ কাঁচাপণ্যের প্রতিকেজির দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার ওপরেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর এখন কাঁচামরিচ কেজিতে নয়; গ্রাম হিসাবে দর হাঁকান বিক্রেতারা। একশ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম ২০ টাকা। সেই হিসাবে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতারা বিপাকে পড়েছে বাজারে গিয়ে। হাটহাজারীতে বাজার মনিটরিং না থাকায় গত দুই মাস ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে নিত্যপণ্যের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার উপজেলার সদর ও ইছাপুরসহ একাধিক বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি করলা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় গাজর ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় শশা ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, ঝিঙা ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকায়, বেগুন ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, গোল বেগুন ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা, পটল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কাকরল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, ভেন্ডি (ঢেড়স) ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় , পেঁপে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, দোন্দল (মুলাম) ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, আলু ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকায়, টমেটো ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় এবং কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতিকেজি দেশি পিঁয়াজ ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, বিদেশি পিঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি দেশি রসুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বৃষ্টির সময় ব্যবসায়ীরা পণ্যের দর বাড়িয়ে দেয়। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাদের বিপাকে পড়তে হয়। এ বিষয়ে সরকারের কোনো ধরনের নজর নেই।
হাটহাজারী বাজারে আসা ক্রেতা মো. রহিম বলেন, বাজারে ৫০ হতে ৬০ টাকার নিচে কোনো কাঁচামাল বিক্রি হয় না। এতে মনে হচ্ছে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এভাবে দাম বাড়াচ্ছে। আসলে দেখার তো কেউ নেই, তাই তারা বিভিন্ন ইস্যু খুঁজে দাম বাড়িয়ে দেয়।
ইছাপরু বাজারের ব্যবসায়ী কামাল বলেন, ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করলেই পণ্যের দাম বাড়াতে পারে না। বর্তমানে দেশে অতি বৃষ্টির কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে বলে জানান তিনি। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পণ্যের দাম আরো কমে আসবে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি শ ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৮১০ টাকা থেকে ৮২০ টাকায়।
এদিকে ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম (সাদা) ১৪০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

নিত্যপণ্যের দর অস্বাভাবিক

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

961
হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের বাজার দর কোনো অবস্থাতেই স্বাভাবিক হচ্ছে না।
শুক্রবার বাজারগুলোতে বেশির ভাগ কাঁচাপণ্যের প্রতিকেজির দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার ওপরেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর এখন কাঁচামরিচ কেজিতে নয়; গ্রাম হিসাবে দর হাঁকান বিক্রেতারা। একশ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম ২০ টাকা। সেই হিসাবে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতারা বিপাকে পড়েছে বাজারে গিয়ে। হাটহাজারীতে বাজার মনিটরিং না থাকায় গত দুই মাস ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে নিত্যপণ্যের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার উপজেলার সদর ও ইছাপুরসহ একাধিক বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি করলা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় গাজর ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় শশা ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, ঝিঙা ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকায়, বেগুন ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, গোল বেগুন ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা, পটল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কাকরল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, ভেন্ডি (ঢেড়স) ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় , পেঁপে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, দোন্দল (মুলাম) ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, আলু ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকায়, টমেটো ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় এবং কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতিকেজি দেশি পিঁয়াজ ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, বিদেশি পিঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি দেশি রসুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বৃষ্টির সময় ব্যবসায়ীরা পণ্যের দর বাড়িয়ে দেয়। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাদের বিপাকে পড়তে হয়। এ বিষয়ে সরকারের কোনো ধরনের নজর নেই।
হাটহাজারী বাজারে আসা ক্রেতা মো. রহিম বলেন, বাজারে ৫০ হতে ৬০ টাকার নিচে কোনো কাঁচামাল বিক্রি হয় না। এতে মনে হচ্ছে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এভাবে দাম বাড়াচ্ছে। আসলে দেখার তো কেউ নেই, তাই তারা বিভিন্ন ইস্যু খুঁজে দাম বাড়িয়ে দেয়।
ইছাপরু বাজারের ব্যবসায়ী কামাল বলেন, ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করলেই পণ্যের দাম বাড়াতে পারে না। বর্তমানে দেশে অতি বৃষ্টির কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে বলে জানান তিনি। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পণ্যের দাম আরো কমে আসবে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি শ ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৮১০ টাকা থেকে ৮২০ টাকায়।
এদিকে ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম (সাদা) ১৪০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।