ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

পর্তুগালে বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের একুশের অালোচনা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালী’কে বিভাগ ঘোষণার দাবি।

পর্তুগালে বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের একুশের অালোচনা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালী’কে বিভাগ ঘোষণার দাবি।


একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছেন বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগাল। সংগঠনটির সভাপতি জাহাঙ্গীর অালমের সভাপতিত্বে স্থানীয় সময় রবিবার রাত অাট ঘটিকায় পর্তুগালের রাজধানী শহর লিসবনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত র্যুয়া দো বেনফরমসো’র মার্তৃম মনিজের রাঁধুনি রেষ্টুরেন্টে অালোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগালের সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মাসুদ, সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সুমন, সহ-সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক আল মাসুদ সুমন, সহ-প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, অাপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আইয়ুব আলী খান, তবারক হোসেন তপু প্রমুখ।

আলোচনায় সকলে বাংলাদেশের একুশের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে প্রবাসে এ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তারা বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির শোকের হলেও গর্বের দিন। এই দিনে বাঙালি জাতি হারিয়েছে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, সে শোককে শক্তিতে পরিণত করে পেয়েছে স্বাধীনতা। দিনটি স্বীকৃতি লাভ করেছে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।

এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে লিসবনের ক্যাম্প মার্তিরেস দা পাট্রিয়া পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাতের অায়োজন করা হয়। বৃহত্তর নোয়াখালী কে বিভাগ ঘোষনার ও দাবি জানানো হয় অালোচনা সভাটি হতে। সভার সকলের সম্মতিতে বৃহত্তর নোয়াখালী কে বিভাগ ঘোষণা করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বরবর স্মারকলিপি প্রদানের সিধ্বান্ত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

পর্তুগালে বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের একুশের অালোচনা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালী’কে বিভাগ ঘোষণার দাবি।

আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

পর্তুগালে বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের একুশের অালোচনা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালী’কে বিভাগ ঘোষণার দাবি।


একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছেন বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগাল। সংগঠনটির সভাপতি জাহাঙ্গীর অালমের সভাপতিত্বে স্থানীয় সময় রবিবার রাত অাট ঘটিকায় পর্তুগালের রাজধানী শহর লিসবনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত র্যুয়া দো বেনফরমসো’র মার্তৃম মনিজের রাঁধুনি রেষ্টুরেন্টে অালোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগালের সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মাসুদ, সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সুমন, সহ-সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক আল মাসুদ সুমন, সহ-প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, অাপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আইয়ুব আলী খান, তবারক হোসেন তপু প্রমুখ।

আলোচনায় সকলে বাংলাদেশের একুশের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে প্রবাসে এ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তারা বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির শোকের হলেও গর্বের দিন। এই দিনে বাঙালি জাতি হারিয়েছে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, সে শোককে শক্তিতে পরিণত করে পেয়েছে স্বাধীনতা। দিনটি স্বীকৃতি লাভ করেছে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।

এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে লিসবনের ক্যাম্প মার্তিরেস দা পাট্রিয়া পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বৃহত্তর নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাতের অায়োজন করা হয়। বৃহত্তর নোয়াখালী কে বিভাগ ঘোষনার ও দাবি জানানো হয় অালোচনা সভাটি হতে। সভার সকলের সম্মতিতে বৃহত্তর নোয়াখালী কে বিভাগ ঘোষণা করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বরবর স্মারকলিপি প্রদানের সিধ্বান্ত হয়।