ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লির লুটেনস বাংলো জোনে আছেন শেখ হাসিনা : দ্য প্রিন্ট

 

বাংলাস্টেটমেন্ট ডেস্ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লুটেনস বাংলো জোনের একটি বাংলাতে অবস্থান করছেন বলে নিজেদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে দ্য প্রিন্ট।

২৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য প্রিন্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনার থাকার জন্য এই সেফ হাউসের ব্যবস্থা করেছে ভারত সরকার। কড়া নিরাপত্তার মাঝেই সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। মাঝে মাঝে তিনি লোধি গার্ডেনে হাঁটাহাঁটি করেন।

লুটেনস একটি উচ্চ নিরাপত্তা সমৃদ্ধ এলাকা। সেখানে দেশটির অনেক প্রাক্তন ও বর্তমান পার্লামেন্ট সদস্য থাকেন। মন্ত্রী, সিনিয়র পার্লামেন্ট সদস্য ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য যে আকারের বাংলো বরাদ্দ করা হয়, হাসিনাকেও তেমনই একটি পূর্ণ আকারের বাংলো দেওয়া হয়েছে।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে চলে যান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে ভারতের হিন্দন বিমান ঘাঁটিতে গিয়ে নামেন তিনি।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দন বিমান ঘাঁটি থেকে দুদিনের মধ্যে চলে যান হাসিনা এবং পরবর্তীতে তাকে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয় লুটেনস বাংলো জোনের একটি বাংলোতে। হিন্দনে নামার পর তার সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা।

এক সূত্র জানিয়েছে, ‘তিনি বেশিক্ষণ এয়ারবেসে থাকতে পারতেন না। সেখানে ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না। তাই কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তারপরে তাকে দিল্লির লুটেনস এলাকায় একটি বাংলোতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।’

অপর একটি সূত্র দ্য প্রিন্টকে জানিয়েছে, হাসিনার নিরাপত্তার জন্য যথাযথ প্রটোকল রয়েছে এবং তিনি লোধি গার্ডেনে মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করেন।

হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর সময় উড়োজাহাজে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানাও। ভারতের ওই বাংলোতে তিনিও থাকছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে, হাসিনার নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় ওই বাংলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি পত্রিকাটি। ভারত সরকারের মন্তব্য জানার চেষ্টা করলেও প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত তারা তা পায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গানের গহীনে: জাতীয় সংগীত বিতর্ক: তাজ উদ্দীন

নয়াদিল্লির লুটেনস বাংলো জোনে আছেন শেখ হাসিনা : দ্য প্রিন্ট

আপডেট সময় : ০৪:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

 

বাংলাস্টেটমেন্ট ডেস্ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লুটেনস বাংলো জোনের একটি বাংলাতে অবস্থান করছেন বলে নিজেদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে দ্য প্রিন্ট।

২৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য প্রিন্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনার থাকার জন্য এই সেফ হাউসের ব্যবস্থা করেছে ভারত সরকার। কড়া নিরাপত্তার মাঝেই সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। মাঝে মাঝে তিনি লোধি গার্ডেনে হাঁটাহাঁটি করেন।

লুটেনস একটি উচ্চ নিরাপত্তা সমৃদ্ধ এলাকা। সেখানে দেশটির অনেক প্রাক্তন ও বর্তমান পার্লামেন্ট সদস্য থাকেন। মন্ত্রী, সিনিয়র পার্লামেন্ট সদস্য ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য যে আকারের বাংলো বরাদ্দ করা হয়, হাসিনাকেও তেমনই একটি পূর্ণ আকারের বাংলো দেওয়া হয়েছে।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে চলে যান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে ভারতের হিন্দন বিমান ঘাঁটিতে গিয়ে নামেন তিনি।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দন বিমান ঘাঁটি থেকে দুদিনের মধ্যে চলে যান হাসিনা এবং পরবর্তীতে তাকে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয় লুটেনস বাংলো জোনের একটি বাংলোতে। হিন্দনে নামার পর তার সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা।

এক সূত্র জানিয়েছে, ‘তিনি বেশিক্ষণ এয়ারবেসে থাকতে পারতেন না। সেখানে ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না। তাই কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তারপরে তাকে দিল্লির লুটেনস এলাকায় একটি বাংলোতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।’

অপর একটি সূত্র দ্য প্রিন্টকে জানিয়েছে, হাসিনার নিরাপত্তার জন্য যথাযথ প্রটোকল রয়েছে এবং তিনি লোধি গার্ডেনে মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করেন।

হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর সময় উড়োজাহাজে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানাও। ভারতের ওই বাংলোতে তিনিও থাকছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে, হাসিনার নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় ওই বাংলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি পত্রিকাটি। ভারত সরকারের মন্তব্য জানার চেষ্টা করলেও প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত তারা তা পায়নি।