ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ: রাজধানীতে নারী বাস সার্ভিস

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের জেল

নিউজ ডেস্ক:: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আদালতের দেয়া সংক্ষিপ্ত রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের জেল দিয়েছেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো.আক্তারুজ্জামান।এ সময় আদালতে খালেদা জিয়ার কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

সোমবার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামান এ রায় দেন।এর আগে আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না হওয়ার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসনকে আদালতে হাজির করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ’র পরিচালক আব্দুল্লাহ আল হারুন।

এর আগে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল মামলার বিচার কাজ চলমান রাখার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা লিভ টু আপিল খারিজ করেছেন আদালত। সোমবার খালেদা জিয়ার করা লিভটু আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।

সকাল ৯টার পর কার্যদিবসের শুরুতেই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।

এ সময় আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে, খালেদার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন।

প্রসঙ্গত, গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরনো কারাগারে স্থাপিত আদালত হুইল চেয়ারে হাজির করা হয় বিএনপি প্রধানকে।এ সময় বিচারককে উদ্দেশ্য করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার পা ফুলে গেছে।বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে।ডাক্তার বলেছে,পা ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।এখানে আমি আদালতে বারবার আসতে পারবো না।আপনাদের যা মনে চায়, যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিন।’

খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও প্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান তারা কারাগারে আছেন।

আর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের জেল

আপডেট সময় : ১২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আদালতের দেয়া সংক্ষিপ্ত রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের জেল দিয়েছেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো.আক্তারুজ্জামান।এ সময় আদালতে খালেদা জিয়ার কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

সোমবার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামান এ রায় দেন।এর আগে আদালতে যাওয়ার মতো ফিট না হওয়ার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসনকে আদালতে হাজির করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ’র পরিচালক আব্দুল্লাহ আল হারুন।

এর আগে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল মামলার বিচার কাজ চলমান রাখার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা লিভ টু আপিল খারিজ করেছেন আদালত। সোমবার খালেদা জিয়ার করা লিভটু আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।

সকাল ৯টার পর কার্যদিবসের শুরুতেই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।

এ সময় আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে, খালেদার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন।

প্রসঙ্গত, গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরনো কারাগারে স্থাপিত আদালত হুইল চেয়ারে হাজির করা হয় বিএনপি প্রধানকে।এ সময় বিচারককে উদ্দেশ্য করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার পা ফুলে গেছে।বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে।ডাক্তার বলেছে,পা ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।এখানে আমি আদালতে বারবার আসতে পারবো না।আপনাদের যা মনে চায়, যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিন।’

খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও প্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান তারা কারাগারে আছেন।

আর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।