ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ: রাজধানীতে নারী বাস সার্ভিস

শাবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে আহত ১৮, তদন্ত কমিটি গঠন

শাবি সংবাদদাতা:: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৮জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে রাতেই সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

বুুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারী বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুজ্জামান রুপককে মারধর করে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজের কর্মীরা। পরে ঘটনাটি আবাসিক হলগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের গ্রুপ দুটির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত ১২টার দিকে শাহপরাণ হলে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। এ সময় উভয়পক্ষ সহ অন্যান্য গ্রুপের অন্তত ১৮ জন নেতা-কর্মী আহত হন।

আহতরা হলেন, জুবায়ের, মনিরুজ্জামান মনির, সুমন তালুকদার, মৃন্ময় দাস ঝুটন, ফিরোজ, উজ্জ্বল সাহা, নাহিদ, পিয়াস, মুনকির, জয়, ইয়ামিন, পাপলু, শিহাব, শামসুল, জাহিদ, মনোয়ার হোসেন, সিমান্ত ও আদনান প্রমুখ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নাহিদ, উজ্জ্বল ও মুনকিরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। ঘটনার পরে জালালাবাদ থানা পুলিশের একটি দল শাহপরাণ হলের সামনে আসে।

এ সংঘর্ষের ঘটনায় শাহপরাণ হলের সহকারী প্রভোস্ট আশীষ কুমার বণিককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রভোস্ট আবুল হাসনাত ও ফেরদৌস আলম।

জালালবাদ থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, যে বা যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে এবং সংঘর্ষের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজ বলেন, গতকাল রাতে গেটে হাতাহাতির ঘটনায় আমরা সিনিয়ররা মিমাংসার জন্য বসেছিলাম। এসময় তারা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
শাহপরাণ হলের প্রভোস্ট শাহেদুল হোসাইন জানান, এটা তেমন গুরুতর কিছু নয়। আর কেউ অভিযোগও করেনি। করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সকালে হাসপাতালে যেয়েও কাউকে পাইনি। সাংবাদিকরা আমাকে জানালে ভাল হত, এটাও তাদের একটা দায়িত্ব ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

শাবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে আহত ১৮, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০১৭

শাবি সংবাদদাতা:: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৮জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে রাতেই সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

বুুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারী বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুজ্জামান রুপককে মারধর করে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজের কর্মীরা। পরে ঘটনাটি আবাসিক হলগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের গ্রুপ দুটির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত ১২টার দিকে শাহপরাণ হলে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। এ সময় উভয়পক্ষ সহ অন্যান্য গ্রুপের অন্তত ১৮ জন নেতা-কর্মী আহত হন।

আহতরা হলেন, জুবায়ের, মনিরুজ্জামান মনির, সুমন তালুকদার, মৃন্ময় দাস ঝুটন, ফিরোজ, উজ্জ্বল সাহা, নাহিদ, পিয়াস, মুনকির, জয়, ইয়ামিন, পাপলু, শিহাব, শামসুল, জাহিদ, মনোয়ার হোসেন, সিমান্ত ও আদনান প্রমুখ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নাহিদ, উজ্জ্বল ও মুনকিরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। ঘটনার পরে জালালাবাদ থানা পুলিশের একটি দল শাহপরাণ হলের সামনে আসে।

এ সংঘর্ষের ঘটনায় শাহপরাণ হলের সহকারী প্রভোস্ট আশীষ কুমার বণিককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রভোস্ট আবুল হাসনাত ও ফেরদৌস আলম।

জালালবাদ থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, যে বা যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে এবং সংঘর্ষের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজ বলেন, গতকাল রাতে গেটে হাতাহাতির ঘটনায় আমরা সিনিয়ররা মিমাংসার জন্য বসেছিলাম। এসময় তারা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
শাহপরাণ হলের প্রভোস্ট শাহেদুল হোসাইন জানান, এটা তেমন গুরুতর কিছু নয়। আর কেউ অভিযোগও করেনি। করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সকালে হাসপাতালে যেয়েও কাউকে পাইনি। সাংবাদিকরা আমাকে জানালে ভাল হত, এটাও তাদের একটা দায়িত্ব ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।