ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ: রাজধানীতে নারী বাস সার্ভিস

প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব : প্রধানমন্ত্রী


বগুরা প্রতিনিধিঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আসিনি, মানুষের সেবা করতে এসেছি। আমার মাথায় একটাই চিন্তা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আমরা জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব। আমরা যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তা শুরু হয়ে গেছে।ধীরে ধীরে সব করে দেব। যেসব উপজেলায় সরকারি স্কুল- কলেজ নেই সেখানে আমরা করে দেব।

রোববার বগুড়ার সান্তাহার স্টেডিয়ামে এক জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যখন নৌকা মার্কা জয়ী হয়, তখন গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ, খেয়েপরে মানুষ সুখে থাকে।কিন্তু যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল তখন তো গোলাভরা ধান ছিল না। কেন ছিল না? বিষয়টা খুবই পরিষ্কার-ওই বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে শুধু নিজেরা খাবে, নিজেরা পরবে, নিজেরা বিলাসিতা করবে বলে।

তিনি বলেন, বাংলার মাটিতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না। আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। সৌহার্দ্যের ধর্ম। ইসলাম মানুষ খুন করার কথা বলে না। এ দেশে যাতে জঙ্গিবাদের স্থান না হয় সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা যেন একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাংলাদেশে উন্নয়ন করতে পারি।

শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ আছে বলেই অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে দেশে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। প্রত্যেক উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যাপ্ত পাকা রাস্তা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে (মডেল) মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করে দেব। এরই মধ্যে আমরা মসজিদের ডিজাইন দেখেছি।তার কাজও আমরা দ্রুত শুরু করব।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, যখন খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল তখন বাজেটের সময় আমার গোপালগঞ্জের টাকা কেটে নিত। এক ফোঁটাও উন্নয়ন করেনি। কিন্তু আমরা আওয়ামী লীগ করি জনগণের জন্য। এখানে কোন এলাকা আমরা সেটা দেখি না। সব এলাকায় আমরা সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। যে কারণে আপনারা দেখ, বগুড়ায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা সবই তো আওয়ামী লীগের আমলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


বগুরা প্রতিনিধিঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আসিনি, মানুষের সেবা করতে এসেছি। আমার মাথায় একটাই চিন্তা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আমরা জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব। আমরা যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তা শুরু হয়ে গেছে।ধীরে ধীরে সব করে দেব। যেসব উপজেলায় সরকারি স্কুল- কলেজ নেই সেখানে আমরা করে দেব।

রোববার বগুড়ার সান্তাহার স্টেডিয়ামে এক জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যখন নৌকা মার্কা জয়ী হয়, তখন গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ, খেয়েপরে মানুষ সুখে থাকে।কিন্তু যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল তখন তো গোলাভরা ধান ছিল না। কেন ছিল না? বিষয়টা খুবই পরিষ্কার-ওই বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে শুধু নিজেরা খাবে, নিজেরা পরবে, নিজেরা বিলাসিতা করবে বলে।

তিনি বলেন, বাংলার মাটিতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না। আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। সৌহার্দ্যের ধর্ম। ইসলাম মানুষ খুন করার কথা বলে না। এ দেশে যাতে জঙ্গিবাদের স্থান না হয় সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা যেন একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাংলাদেশে উন্নয়ন করতে পারি।

শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ আছে বলেই অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে দেশে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। প্রত্যেক উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যাপ্ত পাকা রাস্তা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে (মডেল) মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করে দেব। এরই মধ্যে আমরা মসজিদের ডিজাইন দেখেছি।তার কাজও আমরা দ্রুত শুরু করব।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, যখন খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল তখন বাজেটের সময় আমার গোপালগঞ্জের টাকা কেটে নিত। এক ফোঁটাও উন্নয়ন করেনি। কিন্তু আমরা আওয়ামী লীগ করি জনগণের জন্য। এখানে কোন এলাকা আমরা সেটা দেখি না। সব এলাকায় আমরা সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। যে কারণে আপনারা দেখ, বগুড়ায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা সবই তো আওয়ামী লীগের আমলে।