ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড: ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ, দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’—প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন: আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রচার বন্ধে কঠোর নির্দেশ: নিজের নামের ব্যানার সরাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ: রাজধানীতে নারী বাস সার্ভিস

দুবাইয়ে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য মেলায় বাংলাদেশের শক্ত উপস্থিতি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • 33

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাইয়ে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য ও পানীয় খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার ৩১তম আসরটি দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সোমবার গালফ ফুডের উদ্বোধনী দিনে এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’ এর আলাদাভাবে উদ্বোধন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশাল আয়োজন।

এবারের মেলায় বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় সাড়ে আট হাজারেরও বেশি শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, হিমায়িত খাবার, স্ন্যাকস, মসলা, চাল, জুস ও পানীয় এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন মূল্য সংযোজিত পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি ঝুড়িকে বৈচিত্র্যময় করতে এই খাতটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। গালফুড মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি কেবল রপ্তানি আদেশ বৃদ্ধিই করবে না, বরং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হালাল পণ্য ও কৃষি পণ্যের শক্তিশালী ব্র্যান্ডিং তৈরিতে সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ বিশ্ব খাদ্য বাজারে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করবে।

 

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ভাষা শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সারা দেশে খুলবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

দুবাইয়ে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য মেলায় বাংলাদেশের শক্ত উপস্থিতি

আপডেট সময় : ১১:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাইয়ে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য ও পানীয় খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার ৩১তম আসরটি দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সোমবার গালফ ফুডের উদ্বোধনী দিনে এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’ এর আলাদাভাবে উদ্বোধন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশাল আয়োজন।

এবারের মেলায় বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় সাড়ে আট হাজারেরও বেশি শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, হিমায়িত খাবার, স্ন্যাকস, মসলা, চাল, জুস ও পানীয় এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন মূল্য সংযোজিত পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি ঝুড়িকে বৈচিত্র্যময় করতে এই খাতটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। গালফুড মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি কেবল রপ্তানি আদেশ বৃদ্ধিই করবে না, বরং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হালাল পণ্য ও কৃষি পণ্যের শক্তিশালী ব্র্যান্ডিং তৈরিতে সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ বিশ্ব খাদ্য বাজারে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করবে।